গত মাসের মাঝামাঝি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আলু, দেশি পেঁয়াজ ও ডিম- এই তিন পণ্যের দাম বেঁধে দিয়েছিল। তবে নির্ধারিত সেই দাম সরকার কখনোই কার্যকর করতে পারেনি। দেড় মাস ধরে বাড়তি দামেই
আজ থেকে দেশের ব্যাংকগুলোতে মার্কিন ডলারের দর ১১৫ টাকা ৫০ পয়সা করে পাবেন। বর্তমানে আন্তঃব্যাংক এক্সচেঞ্জ মার্কেটে ডলারের দাম ১১০ টাকা ৫০ পয়সা হলেও ২০১৯ সালের সরকারি সিদ্ধান্তের আড়াই শতাংশের
সর্বজনীন পেনশন স্কিমে জমা পড়া চাঁদার টাকার ১১ কোটি ৩১ টাকা ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করেছে সরকার। প্রাথমিকভাবে ১০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করা হয়েছে। রোববার এ বিনিয়োগের উদ্বোধন করা
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি বাংলাদেশ পাচ্ছে ডিসেম্বরে। বৈশ্বিক অর্থ লগ্নিকারী এ সংস্থাটির দেয়া ছয় শর্তের মধ্যে চারটিই পূরণ করতে পারায় দ্বিতীয় কিস্তিতে ৬৮ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি
দেশে বেড়েই চলেছে নিত্যপণ্যের দাম। দাম বাড়ার চারটি কারণ চিহ্নিত করেছে বিশ্বব্যাংক। গত আগস্টে খাদ্যে মূল্যস্ফীতি সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশে পৌঁছেছে। মূল্যস্ফীতি এখন প্রধান মাথাব্যাথার কারণ হয়েছে দেশবাসীর কাছে।
সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বর মাসে পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ৪৩১ কোটি ডলার বা ৪ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার। এ আয় গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় ১০ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেশি। ওই
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নতুন মাসের শুরুতে ভোক্তাপর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ঘোষণা করবে আজ। সোমবার দুপুর আড়াইটায় নতুন দাম ঘোষণা করবে বিইআরসি। গতকাল রোববার (০১ অক্টোবর) বিইআরসির
ডিমের বাজার স্থিতিশীল করতে ভারত থেকে আরও ছয় কোটি ডিম আমদানির অনুমোদন দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালায়। ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে এসব ডিম আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- চিজ গ্যালারি, পপুলার ট্রেড সিন্ডিকেট,
৫০৬ কোটি ৯ লাখ টাকায় সয়াবিন তেল, রাইস ব্রান অয়েল এবং মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এরমধ্যে ২৩১ কোটি ৫৯ লাখ টাকার তেল এবং ২৭৪ কোটি ৫০ লাখ টাকার
দুর্গাপূজা উপলক্ষে এবার বাংলাদেশ থেকে ৩ হাজার ৯৫০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে রপ্তানির এ অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়,