শিরোনাম :
ছোনকা বাজার আন্ডারপাসের দুই পাশে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, শোভাবর্ধন গাছ রোপণ শাজাহানপুরে মশা নিধন, পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বেতগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন শিবগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায়দের মাঝে ঢেউটিন বিতরণে গাবতলীতে ভিডিও কনফারেন্স’র মাধ্যমে কৃষক কার্ড বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়ায় জাতীয় কবি নজরুল এর ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন যত্রতত্র গড়ে ওঠা ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির জাতিসংঘ সভাপতির দপ্তরে দায়িত্ব পেলেন জাইমা রহমান শিবগঞ্জে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ গাবতলীতে সৈয়দ আহম্মেদ কলেজে নবীর বরণ ও কৃতি সংবর্ধনা

ধুনটে শৈত্যপ্রবাহে যমুনার চরে মৌমাছির মড়ক

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া

বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় বগুড়ার ধুনট উপজেলার দুর্গম চর এলাকায় প্রকৃতিতে গড়ে ওঠা উন্মুক্ত মৌচাকের হাজার হাজার মাছি মারা যাচ্ছে। মৌমাছির মৃত্যুতে পরাগায়ণ ব্যাহত হয়ে চর এলাকায় সরিষা উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যমুনা নদীর বুকে জেগেছে বিশাল চর। সেখানে গড়ে উঠেছে বসতি। চরে নানা জাতের ফসলের সাথে চাষ হচ্ছে সরিষার। বালু চর এখন সরিষা ফুলের হলুদ রঙে সেজেছে। উঁকি দিচ্ছে শীতের শিশিরভেজা সরিষা ফুলের দোল খাওয়া গাছগুলো। ফুলের মৌ মৌ গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে চারিদিকে। সরিষা ফুলে উৎকৃষ্ট মধু উৎপন্ন হয়। তাই ফুলের গন্ধের টানে ছুটে আসছে মৌমাছিরা।

 

এদিকে যমুনার চর এলাকায় বড় আকারের তেমন কোনো গাছপালা নেই। তাই মৌমাছিরা মধু মৌসুমে চরের বুকে প্রাকৃতিক ভাবে গজে ওঠা কলমি গাছের ডালে চাক বেঁধেছে। আবার মৌ চাষিরা মৌ বাক্সের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে মধু সংগ্রহ করছে। তবে মৌমাছি প্রকৃতিতে মৌচাক বাঁধতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। তাই এ বছর চর এলাকায় কলমি গাছের ডালে কমপক্ষে ১০টি মৌচাক তৈরি করেছে মৌমাছি।

 

সরেজমিন যমুনা নদীর চর এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অন্যান্য স্থানের চেয়ে চর এলাকায় শীতের তীব্রতা বেশি। শীতের কারনে কয়েকটি কলমি গাছের ডালে মৌচাক থেকে মৌমাছি মরে মাটিতে স্তূপ হয়ে আছে। এ ছাড়া কিছু কিছু মৌমাছি ডালের সাথে মৌচাক আকড়ে ধরে থাকলেও শীতের প্রকোপে মৌমাছিরা নড়াচড়া কিংবা ডানা মেলছে না।

 

যমুনা পারের ভান্ডারবাড়ি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক বলেন, টানা শৈত্যপ্রবাহ, তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে প্রতিদিন মারা যাচ্ছে হাজার হাজার মৌমাছি। এতে একদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন মৌচাষি, অন্যদিকে পরাগায়ণ ব্যাহত হওয়ায় সরিষা আবাদে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া পরিবেশের ভাারসাম্য অবশ্যই নষ্ট হবে।

 

ধুনট উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস ছোবহান বলেন, ফসল উৎপাদনে পরাগায়ণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রাকৃতিক কাজ মৌমাছি করে থাকে। শীতের তীব্রতা থেকে মৌমাছি রক্ষায় মৌচাষিদের চটের বস্তা দিয়ে বাক্স ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্ত উন্মুক্ত স্থানে প্রকৃতিতে গড়ে ওঠা মৌচাকের মৌমাছি শীতের মড়ক থেকে রক্ষার কোনো ব্যবস্থা নেই।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023