শিরোনাম :
তিস্তা প্রকল্পের ‘লক্ষ্য তৃতীয় পক্ষ নয়, হস্তক্ষেপের বিষয়ও নয়: চীন বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ছোট ভাইয়ের ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের হামলায় স্ত্রী-ছেলেসহ ৩জন আহত ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৫৮৯ দেশজুড়ে আজান নিষিদ্ধের পরিকল্পনা নিয়েছে ডেনমার্ক গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে প্রদর্শনী খামার স্থাপনে উপকরণ বিতরণ মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী গাবতলীতে নারী ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা দিল্লির সীমান্ত সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধান উদ্বেগ সীমান্ত হত্যা ও পুশইন দেশে ফিরলেন ৫২ হাজার ৪৯১ হাজি, মৃত্যু ৪৯ জনের

দেশীয় খেলাকে আরও আকর্ষণীয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা
  • আপডেট সময় বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খেলাধুলায় ছেলেমেয়েদের আরও উন্নত প্রশিক্ষণ দরকার। পাশাপাশি ভালো প্রশিক্ষক তৈরি করা দরকার। তাই প্রত্যেক বিভাগে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) তৈরি করা হবে।

আমাদের দেশীয় খেলাগুলো যেন হারিয়ে না যায়, তার জন্য সবাইকে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশীয় খেলাকে আরও আকর্ষণীয় করতে হবে। খেলাধুলার মধ্য দিয়ে ঐক্যের বন্ধন দৃঢ় শরীরচর্চা হয়। মাধ্যমিক পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সমর্থন করি। আন্তঃস্কুল, আন্তঃকলেজ, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতার চর্চা করা প্রয়োজন। বিদেশেও ছেলেমেয়েরা খেলাধুলায় ভালো অর্জন করছে।

বুধবার ৫২তম জাতীয় শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, খেলাধুলায় মেয়েরা ইদানিং বেশ এগিয়েছে। ছোটবেলা থেকেই প্রশিক্ষণ দিতে পারলে ছেলেমেয়েরা আরও ভালো করবে। প্রত্যেক উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম করেছি। যেন সারাবছরই ছেলেমেয়েরা কোনো না কোনো খেলার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে।

তিনি বলেন, দেশ স্বাধীন হয়েছে বলেই ছেলেমেয়েরা খেলাধুলায় আন্তর্জাতিক পর্যায়েও দক্ষতার প্রমাণ রাখতে পারছে। আমাদের পরিবারটাই খেলাধুলার সঙ্গে সর্বতভাবে জড়িত। খেলাধুলার বিকাশ ঘটাতে চাই, এ বিষয়ে মনোযোগ আছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রীড়া ও শরীরচর্চার সুযোগ থাকলে ছেলেমেয়েরা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হবে, উদার হবে। ৮২৪ জন খেলোয়াড় জাতীয় শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে এসেছে। এই প্রতিযোগিতায় যারা শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করবে তাদের অগ্রিম অভিনন্দন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, রাজশাহী অঞ্চলে খেলাধুলার আরও সুযোগ রয়েছে। সব ধরনের খেলা জানতে হবে, পাশাপাশি দেশীয় খেলার চর্চা করতে হবে। যেন এই খেলাগুলো হারিয়ে না যায়। ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়বো। আজকের শিশু-কিশোর-তরুণরাই হবে তার সৈনিক।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023