শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত

বগুড়ায় নিখোঁজ হওয়া ব্যবসায়ীর মরদেহ ১১ মাস পর উদ্ধার, গ্রেফতার ৪

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া

নিখোঁজের ১১ মাস পর বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় জমিতে পুঁতে রাখা রফিকুল ইসলাম (৪৭) নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 

শুক্রবার (২৯ মে) দুপুর সোয়া ২টার দিকে উপজেলার রানীরপাড়া এলাকায় ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে, সকাল থেকেই মরদেহটি উদ্ধার চেষ্টায় অভিযান চালায় পুলিশ।

 

এ ঘটনায় মৃত রফিকুলের স্ত্রী রেহানা, পরকীয়া প্রেমিক মুহিদুল, ছেলে জসিম এবং রেহানার বোনের ছেলে শাকিলকে গ্রেফতার করা হয়।

 

পুলিশ জানায়, পরকীয়া প্রেমের পথের বাধা সরাতেই রফিকুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তার স্ত্রী রেহানা এবং পরকীয়া প্রেমিক মুহিদুল। ছেলেকে বাবার নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মানসিক ব্ল্যাকমেইল করে পক্ষে নিয়ে এসে বাবাকে হত্যার মতো ঘৃণ্য কাজে জড়িত করেন মা রেহানা। ঘটনাচক্রে শাকিল জড়িয়ে যান। ঘটনার দিন মুহিদুল এবং জসিম ঘুমের ওষুধ এনে রাতের খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে রফিকুলকে খাইয়ে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন করার পর গলাটিপে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডে চারজনই সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়। এরপর শাকিল, মুহিদুল এবং জসিম মরদেহটি ঘাড়ে করে রেললাইনের পাশে নিয়ে মাটিতে পুঁতে রাখে।

 

বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা  জানান, ২০১৯ সালের জুন মাসে রফিকুল ইসলামের স্ত্রী রেহেনা বেগম সোনাতলা থানায় সাধারণ ডায়েরি করে জানান তার স্বামীকে খুঁজে পাচ্ছেন না। থানা পুলিশ প্রায় এক বছর ধরে তদন্ত করেও রফিকুলের কোনো খোঁজ পাচ্ছিলো না। সাম্প্রতিক তদন্তে জানা যায় স্ত্রী রেহানা তার পরকীয়া প্রেমিক ও ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে রফিকুলকে হত্যার পর তার মরদহ বাড়ির পাশে ধানক্ষেতে মাটিচাপা দিয়ে রাখে।

 

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী জানান, সম্প্রতি ওই ডায়েরির সূত্রে তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ রফিকুলের হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত হয়। গ্রেফতার করা হয় রেহেনা, মহিদুল, রেহেনার ভাগ্নে শাকিল ও ছেলে জসিমকে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023