শিরোনাম :
শিবগঞ্জে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ও মিটার চুরির অভিযোগে শিপন গ্রেফতার শাজাহানপুরে কিশোর গ্যাংয়ের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০ : গ্রেফতার ২ দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী রমজান আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস: শাজাহানপুর ইউএনও’র ঈদের শুভেচ্ছা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অন্যতম পারমাণবিক হুমকি পাকিস্তানও : তুলসি ঈদ উপলক্ষে তারেক রহমানকে মোদির শুভেচ্ছা বার্তা ঈদযাত্রায় ভোগান্তির কারণে ৪ ঘণ্টার পথ ১৬ ঘণ্টা আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি ঈদ শনিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এহতেশামুল হাসানের ব্যক্তিগত উদ্যোগে আর্থিক সহায়তা প্রদান গাবতলীতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের উদ্যোগে ইফতার

৫৬ কোটি টাকা ফেরত পাচ্ছেন কিউকমের গ্রাহকরা

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা
  • আপডেট সময় সোমবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২২

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান কিউকমের পাওনাদার গ্রাহকদের ৫৬ কোটি ৮৫ লাখ ৬৭ হাজার টাকা ছাড় করতে তিন ব্যাংককে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রবিবার (৩০ জানুয়ারি) ব্যাংক এশিয়া, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়ে টাকা ছাড়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কিউকমের পরিশোধ সেবাদানকারী (পেমেন্ট গেটওয়ে) প্রতিষ্ঠান ফস্টার করপোরেশনের নামে থাকা তিন ব্যাংকের তিনটি ব্যাংক হিসাবে এ টাকাগুলো জমা আছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, কিউকমের সবচেয়ে বেশি ২৯ কোটি ৪৯ লাখ ৪২ হাজার টাকা জমা রয়েছে ব্যাংক এশিয়ার গুলশান শাখায়। মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (এমএফএস) নগদ, বিকাশ, ওয়ান ব্যাংকের ওকে ওয়ালেট এবং শিওরক্যাশের মাধ্যমে গ্রাহকেরা কিউকমের কাছ থেকে পণ্য কেনার অর্ডার দিয়েছিলেন। কিন্তু গ্রাহকেরা পণ্য পাননি। একইভাবে ইসলামী ব্যাংকের বাড্ডা শাখায় ১৫ কোটি এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের গুলশান শাখায় অর্ডার করা ১২ কোটি ৩৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা আটকে আছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ফস্টারের ব্যাংক হিসাবে জমা থাকা কিউকমের গ্রাহকদের এ টাকা ফেরত দিতে সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২৩ জানুয়ারি কিউকমের ২০ গ্রাহককে ৪০ লাখ টাকা ফেরত দেয়। এই গ্রাহকেরা কিউকমে পণ্যের ক্রয়াদেশ দিয়ে দীর্ঘদিন পণ্য বা টাকা— কিছুই পাচ্ছিলেন না। তার আগে কিউকম ও ফস্টার যৌথভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রথম দফায় ৬ হাজার ৭২১ গ্রাহকের একটি আংশিক তালিকা দেয়। তাদের ফেরত দেওয়া হবে মোট ৫৯ কোটি ৫ লাখ টাকা।

জানা গেছে, ৩ দিনে ১৭৫ গ্রাহক ৩ কোটি টাকার মতো পেয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার আরও পাঁচ কোটি টাকা ছাড় হওয়ার কথা থাকলেও ব্যাংকগুলোর ‘অসহযোগিতার কারণে’ তা সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023