শিরোনাম :
তিস্তা প্রকল্পের ‘লক্ষ্য তৃতীয় পক্ষ নয়, হস্তক্ষেপের বিষয়ও নয়: চীন বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ছোট ভাইয়ের ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের হামলায় স্ত্রী-ছেলেসহ ৩জন আহত ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৫৮৯ দেশজুড়ে আজান নিষিদ্ধের পরিকল্পনা নিয়েছে ডেনমার্ক গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে প্রদর্শনী খামার স্থাপনে উপকরণ বিতরণ মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী গাবতলীতে নারী ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা দিল্লির সীমান্ত সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধান উদ্বেগ সীমান্ত হত্যা ও পুশইন দেশে ফিরলেন ৫২ হাজার ৪৯১ হাজি, মৃত্যু ৪৯ জনের

আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, পদ হারালেন চিত্তরঞ্জন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

শ্লীলতাহানির ঘটনায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাসকে সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করে বুধবার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ সাংবাদিকদের বলেন, সাময়িক বহিষ্কারের পাশাপাশি কেন তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না, জানতে চেয়ে নোটিশও দেয়া হয়েছে। নোটিশের জবাব পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সম্প্রতি একজন নারীর সাথে কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাসের একটি আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হয়। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মুখরোচক আলোচনার তৈরি হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একজন নারীকে নিজের কাছে ডেকে জড়িয়ে ধরেন চিত্তরঞ্জন দাস।

এরপর কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ওই ভুক্তভোগী নারী থানায় গিয়ে মামলা দায়ের করেন। গত ১১ সেপ্টেম্বর শ্লীলতাহানির অভিযোগে সবুজবাগ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এই মামলা দায়ের হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সবুজবাগ কালীবাড়ি রাস্তা সংলগ্ন ওই নারীর শ্বশুরের দোকান রয়েছে। তার পাশের চা দোকানি নিজের দোকান সংস্কার করতে চাইলে সেই দোকানদারের কাছে ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন কাউন্সিলর।

ওই ঘটনায় চাঁদার বিষয়ে সত্যতা যাচাই করার জন্য ওই নারী চিত্তরঞ্জন দাসকে ফোন করেন। তখন চিত্তরঞ্জন তাকে রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে তার রাজারবাগ কালীবাড়ি কার্যালয়ে যেতে বলেন। রাত পৌনে ১০টার দিকে ওই নারী স্বামীসহ কাউন্সিলরের কার্যালয়ে যান।

পরে সেখানে চাঁদার বিষয়ে জানতে চাইলে চিত্তরঞ্জন দাস ওই নারীকে পাশের কক্ষে বসতে বলেন। এরপর চিত্তরঞ্জন ওই কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন এবং ওই নারীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। তবে মান-সম্মানের ভয়ে ওই নারী কোনো চিৎকার করেননি বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023