স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা
তিন কোটি ১৪ লাখ ৩৫ হাজার ৯০২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় কারা অধিদফতরের সাময়িক বরখাস্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৯ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত। ঢাকা বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেন নতুন এ দিন ধার্য করেন।
আজ সোমবার (২৩ আগস্ট) আদালতের পেশ সহকারী মো. মতিয়ার রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত ৮ ডিসেম্বর মামলার বাদী দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের জবানবন্দির এর মধ্য দিয়ে মামলা সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। তবে করোনাভাইরাসের কারণে এ মামলার জেরা ও সাক্ষ্যগ্রহণ বন্ধ ছিল৷ আগামী ৪ জুলাই মামলার বাদী দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের জেরার মধ্য দিয়ে ফের এ মামলার বিচারকার্য স্বাভাবিক হবে।
এদিকে গত ২৯ অক্টোবর বজলুর রশীদের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর জামিন বাতিলের আবেদন করে দুদক।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর সকাল ১০টায় সস্ত্রীক বজলুর রশীদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকে দুদক। জিজ্ঞাসাবাদের পর ডিআইজিকে গ্রেফতার করা হয়। ওই দিনই দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন বাদী হয়ে বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
গত বছরের ২৬ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. নাসির উদ্দীন ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন।
২২ অক্টোবর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
চার্জশিটে বলা হয়েছে, বজলুর রশীদ রূপায়ন হাউজিং স্টেট থেকে ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী রোডের ৫৫/১ (পুরাতন) ৫৬/৫৭ (নতুন) নির্মাণাধীন স্বপ্ননিলয় প্রকল্পের ২৯৮১ বর্গফুট আয়তনের অ্যাপার্টমেন্ট কেনেন।
তিনি অ্যাপার্টমেন্টের মূল্য বাবদ তিন কোটি আট লাখ টাকা পরিশোধ করেছেন। এ অ্যাপার্টমেন্ট কেনার জন্য পরিশোধিত অর্থের কোনো বৈধ উৎস দেখাতে পারেননি বজলুর রশীদ।
এমনকি তিনি অ্যাপার্টমেন্ট কেনার বিষয়ে কোনো তথ্য তার আয়কর নথিতে দেখাননি। পরিশোধিত তিন কোটি আট লাখ টাকা জ্ঞাত আয় উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। সব মিলিয়ে তার বিরুদ্ধে প্রায় সোয়া তিন কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ দুদক আইন ২৭ (১) ধারায় অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়।