ডেস্ক রিপোর্ট
বরিশালে ইউএনও’র বাসভবনে হামলা ও পুলিশের সাথে সংঘর্ষের ঘটনায় মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ২১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাইয়েদ আহমেদ মান্না ও বরিশাল-পটুয়াখালী মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি মোমিন উদ্দিন কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ডিবি পরিচয়ে ঢাকার বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর মান্নাকে র্যাবের হেফাজতে নেয়া হয়েছে বলে জানতে পেরেছে তার পরিবার।
কাউন্সিলর মান্না ইউএনও’র বাসায় হামলার ঘটনায় এসআই শাহ জালাল মল্লিকের দায়ের করা মামলার দুই নম্বর আসামি। তিনি নগরীর গোরস্থান রোডের বাসিন্দা সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মৃত শেখ কুতুব উদ্দিনের ছেলে।
অপরদিকে, শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার মোমিন উদ্দিন কালুকে শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। কালু পুলিশের দায়েরকৃত মামলার ৪৬ নম্বর আসামি। তিনি হরিনাফুলিয়া এলাকার মৃত ওয়াজেদ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে।
কাউন্সিলর মান্নার বড় বোন লুনা বলেন, তারা বিভিন্ন মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছেন ঢাকার র্যাবের হেফাজতে রয়েছে মান্না। এজন্য র্যাব সদর দপ্তরের সাথে তারা যোগাযোগের চেষ্টা চালাচ্ছেন।
এদিকে গণমাধ্যমে মান্নাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন।
শুক্রবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ঢাকার মোহাম্মদপুর শিয়া মসজিদ এলাকা থেকে দুটি মাইক্রোবাসে একদল সাদা পোশাকধারী তাকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন মান্নার ছোট বোন কানিজ ফাতেমা বনা। এরপর থেকে নিখোঁজ থাকার পর আজ শনিবার দুপুরে র্যাব থেকে তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করলো।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বরিশাল কোতোয়ালী মডেল থানা ওসি নুরুল ইসলামের মোবাইলে একাধিকবার কল দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
উল্লেখ্য, ইউএনও’র বাসভবনে হামলা ও পুলিশের সাথে সংঘর্ষের ঘটনায় দায়েরকৃত দুই মামলায় এ নিয়ে মোট ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।