আঃ ওয়াহেদ ফকির
বগুড়ার মহাস্থান এলাকায় এক কথিত গণমাধ্যম কর্মীর বিরুদ্ধে মানুষকে হয়রানীসহ নানা অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ উক্ত ব্যক্তি দেখতে লম্বা, সুদর্শন হওয়ায় পিতা-মাতার দেয়া নাম নয়। নিজেই নামের পূর্বে এসআই শব্দ লাগিয়ে দু’দিকে লাভবান হচ্ছে। যেমন, সাধারণ মানুষ এসআই বলতে পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর ভেবে থাকে। এর সুযোগ কাজে লাগিয়ে সে সবার চোখকে ধুলো দিয়ে এসআই শব্দ ব্যবহার করে বিভিন্ন অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়েছে। যেহেতু মহাস্থান মাজার, জাদুঘর, শীলাদেবীর ঘাট এলাকা, যে কারনে এলাকাটি পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে উঠেছে, সে কারনে প্রতিদিন সব বয়সী ভ্রমণ পিপাসু মানুষদের আগমন ঘটে থাকে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে এলাকায় তরুণ-তরুণী এক জায়গায় বসে গল্প করা অবস্থায় সে গণমাধ্যম কর্মীর রূপে নয়, বরং পুলিশের এসআই এর মত গিয়ে তাদেরকে নানা ধরনের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সাদা কাগজে মুচলিকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনাও সে ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এখানেই শেষ নয়, রাজা জমিদারের ছেলের মত সে সারারাত এলাকায় টহল দিয়েবেড়ায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সচেতন নাগরিক এই প্রতিবেদককে জানান, উক্ত ব্যক্তি সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে আসা মাদক ব্যবসায়ীদের মহাস্থান এলাকায় রিসিভ করে উক্ত ব্যক্তির মোটর সাইকেলে চড়ে শহরে কিংবা শহরতলীতে নিয়ে যায়। মাদক ব্যবসায়ীকে বহনের বিনিময়ে পেয়ে থাকে মোটা অংকের কমিশন। উক্ত ব্যক্তি এতোটাই চতুর আইনশৃংখলার বাহিনীর যেকোন কর্মকাণ্ডের ছবি, সংবাদ পাওয়া মাত্রই সাথে সাথে ফেসবুকে শেয়ার করে থাকে। আর এ কারনে আইনশৃংখলা বাহিনী তার মোটর সাইকেল তল্লাশী করেনা। যার পুরো ফায়দা ওঠাচ্ছে ওই কথিত এসআই নামের কথিত গনমাধ্যম কর্মি !
এভাবেই সবার চোখকে ধুলো দিয়ে উক্ত ব্যক্তি একের পর নানাবিধ অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। আগামীকাল আরো বিস্তারিত সংবাদ পড়তে চোখ রাখুন আমাদের সাথে………..