শিরোনাম :
বগুড়া সোনাতলা রেলস্টেশনে হামলা ঘটনায় ক্ষমা চাওয়ার পর কর্মবিরতি প্রত্যাহার কারাগারে ফিরলেন দীপু মনি অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে চিপস তৈরীর ফ্যাক্টরীর কারখানা জরিমানা প্রয়োজনে রাজনৈতিক ঐকমত্য করে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করতে হবে: নুর নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর টানা ১১ ঘণ্টা আজ যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে ঢাকার শর্ত ‘রূঢ় ও অহংকারী’: সাবেক হাইকমিশনার বীণা সিক্রি প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে ধোঁয়াশা! সিরাজগ‌ঞ্জে এমপি আইনুলের ওপর হামলা, ইট-পাটকেলে ভাঙলো গাড়ির কাঁচ

বগুড়া সোনাতলা রেলস্টেশনে হামলা ঘটনায় ক্ষমা চাওয়ার পর কর্মবিরতি প্রত্যাহার

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার 

বগুড়ার সোনাতলা রেলস্টেশনে রেলওয়ের জায়গায় স্থাপনা নির্মাণকে কেন্দ্র করে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার পর লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন উপজেলা যুবদলের এক নেতা। একই সঙ্গে ভাঙচুর করা কম্পিউটার মেরামত করে দেওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে কাজে ফিরেছেন স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সোনাতলা রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার রবিউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, গত বুধবার সন্ধ্যায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যস্থতায় তাঁর কার্যালয়ে সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সোনাতলা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল হাসান বাবু লিখিত অঙ্গীকারনামা দেন।

অঙ্গীকারনামায় কামরুল হাসান উল্লেখ করেন, রেলওয়ের জায়গায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় টয়লেট নির্মাণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনগণ ও রেলস্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। বিষয়টি মোটেও ঠিক হয়নি উল্লেখ করে তিনি জনসাধারণের পক্ষ থেকে ক্ষমা চান। ভবিষ্যতে রেলস্টেশনে কর্মরত কারও সঙ্গে কোনো ধরনের তুচ্ছ বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না বলেও অঙ্গীকার করেন।
এর আগে বুধবার দুপুরে রেলওয়ের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জেরে সোনাতলা রেলস্টেশনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে স্টেশন মাস্টারসহ সাত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। এ সময় বুকিং কাউন্টারের একটি কম্পিউটার ভাঙচুর করা হয়। পরে নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগে কর্মবিরতিতে যান স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এদিকে রেলওয়ের জায়গায় টয়লেট নির্মাণের বিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, বগুড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া জানান, রেলওয়ের জায়গায় টয়লেট নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা তাঁদের ছিল না। অধিদপ্তরকে না জানিয়ে স্থানীয় ব্যক্তিরা ঠিকাদারের মাধ্যমে সেখানে কমিউনিটি টয়লেট নির্মাণের কাজ শুরু করেছিলেন। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ স্থাপনাটি উচ্ছেদ করার পর প্রকল্পটি বাতিল করা হয়েছে।

স্টেশন মাস্টার রবিউল ইসলাম বলেন, স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যস্থতায় বুধবার সন্ধ্যায় বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে। ভাঙচুর করা কম্পিউটারও রাতেই মেরামত করে দেওয়া হয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজে যোগ দিয়েছেন এবং স্টেশনের স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023