শিরোনাম :
তিস্তা প্রকল্পের ‘লক্ষ্য তৃতীয় পক্ষ নয়, হস্তক্ষেপের বিষয়ও নয়: চীন বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ছোট ভাইয়ের ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের হামলায় স্ত্রী-ছেলেসহ ৩জন আহত ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৫৮৯ দেশজুড়ে আজান নিষিদ্ধের পরিকল্পনা নিয়েছে ডেনমার্ক গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে প্রদর্শনী খামার স্থাপনে উপকরণ বিতরণ মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী গাবতলীতে নারী ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা দিল্লির সীমান্ত সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধান উদ্বেগ সীমান্ত হত্যা ও পুশইন দেশে ফিরলেন ৫২ হাজার ৪৯১ হাজি, মৃত্যু ৪৯ জনের

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

মাত্র ১৮৪ রানের পুঁজি নিয়েও বাংলাদেশকে আটকানোর পরিকল্পনা ছিল পাকিস্তানের। স্বাগতিক দলের কোচ জেসন গিলেস্পি বলেছিলেন, শেষ বল পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাবেন তারা। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মরণপণ লড়াইও করে পাকিস্তানের বোলাররা। তবে বাংলাদেশি ব্যাটারদের দৃঢ়তায় স্বাগতিকদের সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। হাসিতে মুখ উজ্জ্বল হয় বাংলাদেশেরই।

রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচের সিরিজের শেষ টেস্ট জিতে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডোবায় নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এই জয়ে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজ জয়ও নিশ্চিত করে টাইগাররা।

এ নিয়ে বিদেশের মাটিতে তৃতীয়বার টেস্ট সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ। ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে টেস্ট সিরিজ জিতেছিল টাইগাররা। এটিই ছিল দেশের বাইরে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সিরিজ জয়। এরপর ২০২১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট জিতে দ্বিতীয় সিরিজ নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।

সদ্যসমাপ্ত সিরিজের আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে আরও ৬টি সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ। এর মধ্যে সিরিজ তো দূরের কথা, একটি ম্যাচও জেতেনি বাংলাদেশিরা। এসব সিরিজের আওতায় ১৩টি ম্যাচ খেলে কেবল একটিতে ড্র, বাকি ১২টিতেই হেরেছিল বাংলাদেশ।

আজ রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিনে বিনা উইকেটে ৪২ রান নিয়ে খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। তখন জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৪৩ রান।

নতুন দিনে ৫ ওভার ব্যাট করে ১৬ রান যোগ করেন দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম ও জাকির হাসান। এরপর ১২তম ওভারে মীর হামজার বলে বোল্ড হয়ে যান জাকির। ৩৯ বলে ৪০ রান করেন বাঁহাতি ব্যাটার। এতে ৫৮ রানের ওপেনিং জুটি ভাঙে বাংলাদেশের।

কিছুক্ষণ পরই উইকেট বিলিয়ে দেন আরেক ওপেনার সাদমান। ৫১ বলে ২৪ রান করে খুররম শেহজাদের বলে শান মাসুদের হাতে ক্যাচ হন তিনি। ৭০ রানে পতন হয় দ্বিতীয় উইকেটের।

মুমিনুল হকের সঙ্গে ৫২ রানের জুটি করে মধ্যাহ্নবিরতিতে যান নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু বিরতি থেকে এসেই পাকিস্তান স্পিনার সালমান আলি আগার বলে আব্দুল্লাহ শফিকের হাতে ক্যাচ হন বাঁহাতি এই ব্যাটার। ৮২ বলে ৩৮ রান করে ফেরত যান বাংলাদেশ অধিনায়ক।

দলীয় ১৫৩ রানের মাথায় মিডঅনের ওপর দিয়ে মারতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনেন মুমিনুল। আবরার আহমেদের বলে মিডঅনে থাকা ফিল্ডার সাইম আইয়ুবের কাছে ক্যাচ হন বাঁহাতি এই ব্যাটার। ৭১ বলে ৩৪ রান করে সাজঘরে ফেরত যান তিনি।

এর আগে হাসান মাহমুদ ও নাহিদ রানার তাণ্ডবে গতকাল দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭২ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। এতে বাংলাদেশ লক্ষ্য পায় ১৮৫ রানের। টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথম ফাইফার পূর্ণ করেন হাসান। আর ৪ উইকেট নেন দ্রুতগতির পেসার নাহিদ। বাকি এক উইকেট যায় তাসকিন আহমেদের পকেটে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023