শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ায় শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা

মুক্তজমিন ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৩

বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলায় জেরিন আক্তার নামে এক ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে মোনারুল ইসলাম (৩৫) কে গাছের সাথে বেঁধে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজ শনিবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। জানাগেছে মোনারুল উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের রহমতপুর গ্রামের মৃত হবিবর রহমানের ছেলে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, একই ইউনিয়নের ফুলতলা এলাকায় অবস্থিত প্রতিভা কিন্ডার গার্ডেন কেজি স্কুলের শিক্ষক ছিলেন মোনারুল ইসলাম। জেরিন নামে স্কুলের সাবেক এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে মোনারুলের। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে ওই ছাত্রীকে তরিঘরি করে বিয়ে দেয় তার বাবা। তারপরও জেরিনকে উত্ত্যক্ত করছিলেন ঐ শিক্ষক।

৩০ ডিসেম্বর তার বাবার বাড়িতে ইসলামী জলসা উপলক্ষে নওদাপাড় গ্রামে আসেন ওই ছাত্রী। কিন্তু ওই দিন রাতে সেখানে গিয়েও তাকে কুপ্রস্তাব দেন শিক্ষক মোনারুল ইসলাম। পরে তার স্বজনরা জানতে পেরে তাকে আটক করে জাহাঙ্গীর আলমের বাড়ির উঠানে গাছের সাথে বেঁধে তাকে বেধড়ক পেটান জেরিনের স্বজনরা। এতে মোনারুল ইসলাম গুরুতর আহত হয়ে পড়লে তার স্বজনরা এসে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খোন্দকার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঢাকায় নিহতের ময়নাতদন্ত হচ্ছে। এরপর মরদেহ শেরপুরে আসবে। তখন আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। তাছাড়া নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

অভিযোগ ও তদন্তে যারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023