আগামী অর্থবছরের বাজেটে অর্থ পাচারকারীদের জন্য বিশেষ একটি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বৃহস্পতিবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের যে বাজেট পেশ করেছেন, তাতে তিনি উল্লেখ করেছেন, বিদেশে অবস্থিত যেকোনও সম্পদের ওপর কর পরিশোধ করা হলে আয়কর কর্তৃপক্ষসহ কোনও কর্তৃপক্ষ এ নিয়ে প্রশ্ন করবে না।
বিদেশে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি বাংলাদেশে না আনলে ওই সম্পদের মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ এবং বিদেশে অবস্থিত অস্থাবর সম্পত্তি বাংলাদেশে আনলে তার ওপর ১০ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হতে পারে। আবার কেউ যদি বিদেশ থেকে অর্থ আনেন (পাচার করা অর্থ) তাহলে সাড়ে ৭ শতাংশ কর দিলেই হবে—এমন প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
এ দিন জাতীয় সংসদে তিনি পাচার হয়ে যাওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে আয়কর অধ্যাদেশে নতুন বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব করেন। পাশাপাশি কর জাল বাড়াতেও টিআইএনের (করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর) রিটার্ন জমা স্লিপ বাধ্যতামূলক করার কথা বলেছেন।
একইসঙ্গে করদাতার সংখ্যা বাড়াতে স্পট অ্যাসেসমেন্ট কার্যক্রমে পরিবর্তন আনার ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী। অর্থাৎ বিদেশে অবস্থিত কোনও সম্পদের ওপর কর পরিশোধ করা হলে আয়কর কর্তৃপক্ষসহ সরকারের কেউ
এ বিষয়ে কোনও প্রশ্ন উত্থাপন করতে পারবে না। বিদেশে অর্জিত স্থাবর সম্পত্তি দেশে আনীত না হলে এর ওপর ১৫ শতাংশ, অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ এবং নগদ অর্থের ওপর ৭ শতাংশ কর বসানোর সুপারিশ করেছেন অর্থমন্ত্রী। ২০২২ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই সুবিধা পাবেন প্রবাসীরা।