শিরোনাম :
তিস্তা প্রকল্পের ‘লক্ষ্য তৃতীয় পক্ষ নয়, হস্তক্ষেপের বিষয়ও নয়: চীন বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ছোট ভাইয়ের ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের হামলায় স্ত্রী-ছেলেসহ ৩জন আহত ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৫৮৯ দেশজুড়ে আজান নিষিদ্ধের পরিকল্পনা নিয়েছে ডেনমার্ক গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে প্রদর্শনী খামার স্থাপনে উপকরণ বিতরণ মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী গাবতলীতে নারী ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা দিল্লির সীমান্ত সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধান উদ্বেগ সীমান্ত হত্যা ও পুশইন দেশে ফিরলেন ৫২ হাজার ৪৯১ হাজি, মৃত্যু ৪৯ জনের

বগুড়ায় বন্ধ স্কুল-কলেজে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা শুরু

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১

এম.এ করিম, বগুড়া

দীর্ঘ সাড়ে ১৭ মাস পর আগামী ১২ সেপ্টেম্বর খুলছে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা। এতদিন বন্ধ থাকায় স্কুলের আঙ্গিনায় আগাছা জন্মেছে। ধুলা-বালি পড়েছে ক্লাশ রুমে, বেঞ্চে-চেয়ার-টেবিলে। গত শুক্রবার শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণার পর বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলতে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এতে খুশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। তবে ক্লাশে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষার তাগিদ দিয়েছেন তারা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার নির্দেশ দেয়া হলেও ক্লাশ কার্যক্রম কিভাবে চলবে সে বিষয়ে কোন আপডেট নির্দেশনা পাননি প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় সপ্তাহে দুইদিন করে প্রতি শ্রেণির ক্লাশ নেয়ার কথা বলেন তারা। একসাথে সকল শ্রেণির ক্লাশ নিলে করোনা ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে আশংকা তাদের।

একটানা ১৭ মাস শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ঘটনা বাংলাদেশ শুধু নয়, সারা বিশ্বে বিরল। ক্লাশে যেতে না পাড়ায় অনেকটা গৃহবন্দি হয়ে পড়েছিলো শিক্ষার্থীরা। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা খোলার সরকারি ঘোষণায় উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা। তবে করোনা সুরক্ষায় মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহার এবং শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে চান শিক্ষার্থীরা।

সন্তানরা দীর্ঘ বন্দি দশা থেকে মুক্তি পেতে যাওয়ায় খুশি অভিবাবকরাও। এতে স্বস্তি ফিরেছে তাদের মনে। স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা খোলায় সন্তানরা ফের পড়াশোনায় মনযোগী হবে বলে আশাবাদী তারা। তবে সন্তানের সুরক্ষায় ক্যাম্পাসে যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন অভিভাবকরা।

সরকারি নির্দেশনার পর ক্যাম্পাস এবং ক্লাশ রুম পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু করেছেন তারা। স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা করতে হলে একসাথে সকল শ্রেণির ক্লাশ নেয়া সম্ভব হবে না। সে ক্ষেত্রে সপ্তাহে দুইদিন করে প্রতি শ্রেণির ক্লাশ নেয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন তিনি। এক শ্রেণিতে বেশি শিক্ষার্থী হলে প্রয়োজনে দুইজন শিক্ষক দিয়ে তাদের আলাদা ক্লাশ নেয়ার কথা বলেন শিক্ষাবিদ অলিউল ইসলাম।

এদিকে ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসা খুললেও বিশ্ববিদ্যালয় কবে খুলবে কিংবা কীভাকে ক্লাশ কার্যক্রম চলবে সে বিষয়ে এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন। এ বিষয়ে একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলেন তিনি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023