শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

বাজার থেকে ২৬শ’ কোটি টাকা নিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

বাজারে অতিরিক্ত তারল্য নিয়ন্ত্রণে আড়াই বছর পর বাংলাদেশ ব্যাংক বিলের প্রথম নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ৭ ও ১৪ দিন মেয়াদি বিলের প্রথম নিলামে কয়েকটি ব্যাংক প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়ার আবেদন করে। এর বিপরীতে বার্ষিক এক শতাংশের কম সুদে ২ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা তুলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সংশ্নিষ্ট বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রথম নিলামে ৭দিন মেয়াদি বিলের মাধ্যমে বার্ষিক মাত্র শূন্য দশমিক ৫৪ শতাংশ তথা ৫৪ পয়সা সুদে তোলা হয়েছে এক হাজার ৫০৫ কোটি টাকা। আর ১৪ দিন মেয়াদি বিলে ১১শ’ কোটি টাকা তোলা হয়েছে শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ তথা ৭৫ পয়সা সুদে। বুধবার ৩০ দিন মেয়াদি বাংলাদেশ ব্যাংক বিলের নিলাম হওয়ার কথা রয়েছে। অধিকাংশ ব্যাংকে প্রচুর অলস টাকা পড়ে থাকায় এতো কম সুদের পরও ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে বলে জানা গেছে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানার একটি ব্যাংকের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তা বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতির কারণে কম সুদে টাকা খাটানোর এক ধরনের প্রতিযোগিতা রয়েছে। বর্তমানে আন্ত:ব্যাংক কলমানিতে সর্বনিন্ম ১ শতাংশ এবং আন্ত:ব্যাংক রেপোতে শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ বার্ষিক সুদহার নির্ধারিত আছে। সর্বনিন্ম এই সুদে টাকা খাটানোর পরও অধিকাংশ ব্যাংকের কাছে অলস টাকা থাকছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক তো আর এই টাকা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করবে না। ফলে যেটুকু সুদ দিচ্ছে একেবারে ফেলে না রেখে তাতেই ব্যাংকগুলো খুশি।

সর্বশেষ ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক বিলের নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন একটি ব্যাংক মাত্র শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ তথা ২ পয়সা সুদে ৭ দিনের জন্য ১৫০ কোটি টাকা রেখেছিল। এরপর থেকে নিলাম বন্ধ ছিল। বাজারে উদ্বৃত্ত তারল্য বেড়ে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীকে চিঠি দিয়ে নিলামের বিষয়টি অবহিত করা হয়।

আশানুরুপ ঋণ চাহিদা না থাকায় গত জুন শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকে ব্যাংকগুলোর সিআরআর সংরক্ষণের পর অলস পড়ে আছে ৬২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। একই সময়ে উদ্বৃত্ত তারল্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। এ অর্থ যেন অনুৎপাদনশীল খাতে গিয়ে মূল্যস্ম্ফীতির ওপর চাপ তৈরি করতে না পারে সে জন্য এভাবে টাকা তোলা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023