মন্থর পাওয়ার প্লে
সিরিজে প্রথমবার পাওয়ার প্লেতে একটির বেশি উইকেট হারায়নি অস্ট্রেলিয়া। তবে বাংলাদেশ খুব বেশি রানও করতে দেয়নি তাদের। ৬ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার রান ১ উইকেটে ২০।
সিরিজে দুই দল মিলিয়ে ৬ ইনিংসে পাওয়ার প্লেতে সবচেয়ে কম রান এটিই।
রিভিউয়ে রক্ষা মার্শের
সাকিব আল হাসানের বলে মিচেল মার্শকে আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা। তবে রিভিউ নিয়ে টিকে রইলেন মার্শ।
সাকিবের স্পিন করে বেরিয়ে যাওয়া বলে অফ সাইডে উড়িয়ে মারার চেষ্টা করেন মার্শ। বল তার ব্যাটকে ফাঁকি দিয়ে যায় কিপারের গ্লাভসে। আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার। মার্শ রিভিউ নিতে সময় নেন খুব একটা। রিভিউয়ে দেখা যায়, ব্যাট থেকে বেশ দূরে ছিল বল।
আবার নাসুমের শিকার ওয়েড
প্রথম ম্যাচে যেভাবে ম্যাথু ওয়েডকে আউট করেছিলেন নাসুম আহমেদ, অনেকটা একইভাবেই এই বাঁহাতি স্পিনার আবার ফেরালেন ওয়েডকে। দ্বিতীয় ওভারে বাংলাদেশ পেল প্রথম উইকেটের দেখা।
প্রথম ম্যাচে লেগ স্টাম্পের শর্ট বলে বাজে শটে শর্ট ফাইন লেগে ক্যাচ দিয়েছিলেন ওয়েড। এবারের বলটি ছিল মিডল স্টাম্পে। ওয়েড শরীর ঘুরিয়ে পুল করার চেষ্টা করেন সজোরে। কিন্তু বল বাড়তি লাফিয়ে তার ব্যাটের ওপরের দিকে লেগে সহজ ক্যাচ যায় সেই শর্ট ফাইন লেগেই।
৫ বলে ১ রান করে আউট ওয়েড। অস্ট্রেলিয়া ১.৩ ওভারে ১ উইকেটে ৮।
নতুন উদ্বোধনী জুটি
জশ ফিলিপি না থাকায় অস্ট্রেলিয়ার উদ্বোধনী জুটিতে পরিবর্তন আসতোই। তবে শুধু এক প্রান্তে নয়, বদলটা এলো দুই পাশেই। একাদশে আসা বেন ম্যাকডারমটের সঙ্গে ইনিংস শুরু করলেন অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড। আগের দুই ম্যাচে মিডল অর্ডারে ব্যাট করেন ওয়েড।
অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য ১২৮
ইনিংস শেষ তিন বলে ন্যাথান এলিসের হ্যাটট্রিকে বাংলাদেশের রান ছুঁতে পারল না ১৩০। সিরিজ জিইয়ে রাখতে অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য ১২৮।
শেষের ওই হ্যাটট্রিকে সফলতম বোলার এলিস। তবে সেরা বোলার ছিলেন নিঃসন্দেহে জশ হেইজেলউড। ৪ ওভারে ১৬ রান দিয়ে নেন তিনি ২ উইকেট।