<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>মত-মতান্তর Archives - Mzamin</title>
	<atom:link href="https://mzamin.news/category/%E0%A6%AE%E0%A6%A4-%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://mzamin.news/category/মত-মতান্তর</link>
	<description>মুক্তজমিন</description>
	<lastBuildDate>Tue, 12 Aug 2025 20:19:24 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.5</generator>

<image>
	<url>https://mzamin.news/wp-content/uploads/2020/01/favicon-60x60.png</url>
	<title>মত-মতান্তর Archives - Mzamin</title>
	<link>https://mzamin.news/category/মত-মতান্তর</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>সমালোচনা হয়েছে,সেটা শালীনতা বজায় রেখে,অশালীন মন্তব্য আমরা কখনো শুনতে পাইনি</title>
		<link>https://mzamin.news/2025/08/13/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae/73627/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2/.html</link>
					<comments>https://mzamin.news/2025/08/13/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae/73627/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2/.html#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মুক্তজমিন]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 12 Aug 2025 20:19:24 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[মত-মতান্তর]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://mzamin.news/?p=73627</guid>

					<description><![CDATA[<p>অধ্যাপক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক:১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে অখণ্ড পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটি গঠিত হয় এবং ১৯৭১ সালে যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ নামে একটি নতুন রাষ্ট্র পৃথিবীর মানচিত্রে স্থান করে নেয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মাওলানা ভাসানী, একে ফজলুল হক হোসেন, শহীদ সোহরাওয়ার্দীসহ গুণী বিজ্ঞ রাজনীতিবিদদের জীবনী লেখনী ও তাদের বক্তৃতার মাধ্যমে বিরোধী দলের নেতাদের প্রতি [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://mzamin.news/2025/08/13/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae/73627/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2/.html">সমালোচনা হয়েছে,সেটা শালীনতা বজায় রেখে,অশালীন মন্তব্য আমরা কখনো শুনতে পাইনি</a> appeared first on <a href="https://mzamin.news">Mzamin</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>অধ্যাপক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক:</strong><em><strong>১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে অখণ্ড পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রটি গঠিত হয় এবং ১৯৭১ সালে যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ নামে একটি নতুন রাষ্ট্র পৃথিবীর মানচিত্রে স্থান করে নেয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মাওলানা ভাসানী, একে ফজলুল হক হোসেন, শহীদ সোহরাওয়ার্দীসহ গুণী বিজ্ঞ রাজনীতিবিদদের জীবনী লেখনী ও তাদের বক্তৃতার মাধ্যমে বিরোধী দলের নেতাদের প্রতি অশ্রদ্ধা,অশালীন মন্তব্য আমরা কখনো শুনতে পাইনি। ভারতবর্ষের কোনো নেতা একে অপরের প্রতি কোনো কটাক্ষ করে আক্রমণাত্মক আচরণ করেছে বলে মনে হয় না। ৩০ লক্ষ শহীদদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জনের পরেও পাকিস্তানের কোনো রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী বা সেনাবাহিনী প্রধানদের প্রতি তির্যক বাক্য বানে জর্জরিতও করা হয়নি। সমালোচনা হয়েছে, তবে সেটা শালীনতা বজায় রেখে করা হয়েছে। শেখ মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তানি নেতাদের প্রতি খারাপ ভাষার ব্যবহার করতে শুনিনি। স্বাধীনতার ঘোষক বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশের সফল রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তার জীবদ্দশায় শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে কোনো নেতিবাচক মন্তব্য করেননি। শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে এনে রাজনীতি করার সুযোগসহ বাড়িঘর অর্থ-সম্পদ তিনি ফিরিয়ে দিয়েছেন। তিনবারের প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রের মানসকন্যা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মহান সংসদে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে সম্মান জানিয়েছেন। এতে তিনি মানুষের হৃদয়ে সম্মানের জায়গাটা স্থান করে নিয়েছেন। বড় মনের পরিচয় দিয়েছেন। তার রত্নগর্ভা মা তাকে পেটে ধারণ করে জন্ম দিয়ে পারিবারিক শিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন। যার প্রমাণ বেগম খালেদা জিয়ার বহুনির্বাচনি বক্তব্য ও সাংবাদিকদের দেওয়া সাক্ষাৎকার।</strong></em></p>
<p>বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সংগ্রামী মহাসচিব ক্লিন ইমেজের অধিকারী সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব ফখরুল ইসলাম আলমগীর শেখ মুজিবুর রহমানের মুরাল ভাঙার দৃশ্য দেখে ব্যথিত হয়েছেন। এটা শেখ হাসিনার দুঃশাসন, হত্যা, খুন, গুম জনগণের প্রতি নির্দয় নিষ্ঠুর ব্যবহার অতিকথন মিথ্যাচারের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। শেখ হাসিনা জিয়াউর রহমান এবং জিয়া পরিবারের সম্মানিত সদস্যদের সম্পর্কে যে কুরুচিপূর্ণ অহংকারের ভাষায় মন্তব্য করেছেন, যা সাধারণ মানুষদেরকে আহত ও মর্মাহত করেছে। এসব ভাষা গুলো কোনো সভ্য ভদ্রলোক সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রীর মতো আসনে বসে মানহানিকর নোংরা কথা বলা সমীচীন নয়। মাওলানা মামুনুল হক ৫ই আগস্টের পর বেগম খালেদার জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন হাসপাতালে। তিনি বলেন, আমি প্রায় আধাঘণ্টা বেগম জিয়ার সঙ্গে কথা বলেছি কিন্তু তিনি একবারও শেখ হাসিনার প্রসঙ্গে কোনো কথা বলেননি। তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, এজন্য যে বেগম জিয়ার প্রতি শেখ হাসিনা যে সীমাহীন অত্যাচার মানসিক শারীরিক নির্যাতন এবং দয়াময়হীন নির্মম ব্যবহার করেছেন এই পরিস্থিতিতে দুটো কথা বলা স্বাভাবিক ছিল কিন্তু সেটা তিনি করেননি।</p>
<p>বাংলাদেশে বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন বক্তৃতায় টকশোতে পরনিন্দা চর্যায় মেতে উঠেছেন। একে অপরকে আক্রমণ করে যাচ্ছেন। ফলে রাজনীতিবিদদের প্রতি সাধারণ মানুষের নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হচ্ছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ নষ্ট হচ্ছে। তৃতীয়পক্ষ ভয়ংকর খেলায় মেতে উঠেছে। জুলাই আন্দোলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন দলের নেতৃবৃন্দ কথা বলেছেন পরামর্শ নিয়েছেন অথচ একটি দলের নেতৃবৃন্দ তার সম্পর্কে যে অযাচিত মন্তব্য করেছেন তা কখনো সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এটা রাজনৈতিক শিষ্টাচার পরিপন্থি। এর ফলে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য নষ্ট হচ্ছে। কর্মীরাও হতাশ ব্যতীত ও মর্মাহত হচ্ছে।</p>
<p>জামায়াতে ইসলামীর আমির সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তৃতায় তারেক রহমানের ভূয়সি প্রশংসা করেছেন। তিনি জনাব তারেক রহমানকে জুলাই আন্দোলনের প্রধান নায়ক হিসেবে পরিগণিত করেছেন। তার বুদ্ধিদীপ্ত পরিচালনায় আন্দোলন সফল হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। তার নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন। এটাই রাজনৈতিক শিষ্টাচার। আবার জামায়াতে ইসলামের আমির অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে বিএনপির মহাসচিব তাকে হাসপাতালে দেখতে যান। খোঁজখবর নিয়েছেন, সময় দিয়েছেন। এটাই রাজনৈতিক শিষ্টাচার। যে দৃশ্য অবলোকন করে জনগণ শান্তি অনুভব করেছে। ছাত্রশিবিরের অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের সভাপতি গেছেন কুশল বিনিময় করেছেন। পারস্পরিক সোহাদ্য সম্প্রীতি শ্রদ্ধাবোধ সহনশীল ও গঠনমূলক রাজনীতি উভয় দলের কর্মীদেরকে ভালো কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে। রাজনৈতিক নেতাদের আচরণ এবং মনোভাব একে অপরের প্রতি এমনটা হওয়া উচিত।</p>
<p>জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব ভিপি নুর জুলাই বিপ্লবে বিভিন্ন দিক থেকে সাহায্যের জন্য তারেক রহমান সালাহউদ্দিন আহমেদ, তাবিথ আউয়াল, ইঞ্জিনিয়ার ইসরাকের প্রশংসা করেছেন। এই মুহূর্তে প্রয়োজন সব বিভেদ ভুলে যেয়ে একে অপরের ভালো কাজের প্রশংসা করা যাতে দলগুলোর মধ্যে ঐক্য বজায় থাকে এর জন্য প্রয়োজন দেশপ্রেম। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সব রকম সুযোগ-সুবিধা দিয়ে মাইনাস করার জন্য বিগত সরকার বহু চেষ্টা করেছে। তিনি দেশ এবং দেশের মানুষকে এত ভালোবাসেন যা কখনো স্বৈরাচার সরকার সেটা করতে পারেননি।</p>
<p>কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া মহান ব্যক্তিটি সারা পৃথিবীর অহংকার আমাদের গর্ব ও জাতীয় সম্পদ ড. মো. ইউনুসকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সম্পর্কে যে সীমাহীন অত্যাচার নিপীড়ন শারীরিক-মানসিক নির্যাতন করেছেন জনগণের কাছে তা কখনো কাম্য ছিল না। অথচ বেগম খালেদা জিয়া মহান সংসদে দাঁড়িয়ে তার সম্পর্কে ইতিবাচক মন্তব্য করে তাকে সম্মানিত করেছেন এবং মানুষের কাছে প্রশংসিত হয়েছেন। এক্ষেত্রে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ মহান সংসদে দাঁড়িয়ে তার বক্তব্যে ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসকে সম্মানিত করেছেন।</p>
<p>বাংলাদেশে বিভিন্ন দলের অনেক পরিষ্কার ইমেজের সম্মানীয় ব্যক্তিবর্গ রয়েছেন। যেমন আমার দেখা ঢাকা-১৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আব্দুস সালাম (উপদেষ্টা বিএনপি চেয়ারপারসন)। তার আচার-আচরণ ভদ্রতা-শিষ্টাচার টকশোতে কথা বলা হাসিমুখে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ভাব বিনিময় ব্যবহারের মাধুর্য কারোর প্রতি আক্রমণাত্মক আচরণ নয় বরং মানুষের চিন্তা চেতনা ও গুণগতমানের পরিবর্তন আনয়নে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। মোহাম্মদপুর থেকে সন্ত্রাস চাঁদাবাজ দূর করার জন্য শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবক, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ এমনকি ভিন্নমতের ব্যক্তিরাও তার অনুষ্ঠানে এসে তাকে ভালো কাজের সমর্থন জানিয়েছেন, অংশগ্রহণ করেছেন পরামর্শ দিয়েছেন বক্তৃতা করেছেন। তিনি কারোর প্রতি কোনো কটাক্ষ করে কথা বলেন না। রাজনীতিবিদরা হবেন বহ্নি পোকার মতো। পোকামাকড় যেমন আলোর দিকে ধাবিত হয় তেমনি রাজনীতিবিদরা হবেন আলোকিত ব্যক্তিত্ব যাদেরকে দেখে জনগণ আকৃষ্ট হবে। জনাব আব্দুস সালাম হলেন সেই মহান ব্যক্তি যাকে দেখলে মানুষ আকৃষ্ট হয়। রাজনৈতিক অঙ্গনে নেতাদের প্রতি জনগণ আকৃষ্ট হলে তার রাজনৈতিক জীবন সার্থক ও সুন্দর হবে।</p>
<p>রাজনীতিতে মতভেদ থাকবে তবে শত্রুতা নয়। আক্রমণ নয় বরং ভালোবাসা দিয়ে মানুষের মন জয় করতে হবে। রাজনৈতিক শিষ্টাচারের ধারক ও বাহক হয়ে উঠতে পারলে রাজনীতিবিদরা বাস করবেন মানুষের হৃদয়ে। তাহলে পৌঁছানো যাবে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে। হয়ে উঠবেন আপনি অবিসংবাদিত নেতা। বাস করবেন মানুষের মনের মনিকোঠায়। সার্থক ও সুন্দর হবে আপনার ধরার জীবন। আর ধন্য হবে জনগণ।</p>
<p>মোঃ আব্দুর রাজ্জাক</p>
<p>অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান</p>
<p>সমাজকর্ম বিভাগ</p>
<p>The post <a href="https://mzamin.news/2025/08/13/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae/73627/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2/.html">সমালোচনা হয়েছে,সেটা শালীনতা বজায় রেখে,অশালীন মন্তব্য আমরা কখনো শুনতে পাইনি</a> appeared first on <a href="https://mzamin.news">Mzamin</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://mzamin.news/2025/08/13/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae/73627/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2/.html/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আসাদের শার্ট উড়ছে আজও</title>
		<link>https://mzamin.news/2024/01/20/%e0%a6%ae%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0/64973/%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%89%e0%a7%9c%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%9c%e0%a6%93/.html</link>
					<comments>https://mzamin.news/2024/01/20/%e0%a6%ae%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0/64973/%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%89%e0%a7%9c%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%9c%e0%a6%93/.html#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মুক্তজমিন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 20 Jan 2024 14:31:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অনলাইন]]></category>
		<category><![CDATA[মত-মতান্তর]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://mzamin.news/?p=64973</guid>

					<description><![CDATA[<p>২০ জানুয়ারি শহীদ আসাদ দিবস। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাসে যে দিনগুলোতে উদ্দীপিত, আলোড়িত এবং অভিভূত হওয়ার আছে তারই অন্যতম একটি দিন ২০ জানুয়ারি।৫৫ বছর আগের দিনটি স্মরণে কবি শামসুর রাহমান তাঁর পঞ্চম বই ‘নিজ বাসভূমে’ (আমার নিজের দেশে) ‘আসাদের শার্ট ’ কবিতায় আসাদের রক্তে ভেজা শার্টকে চিত্রিত করে লিখেছেন, ‘গুচ্ছ গুচ্ছ করবীর মতো কিন্তু সূর্যাস্তের জ্বলন্ত [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://mzamin.news/2024/01/20/%e0%a6%ae%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0/64973/%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%89%e0%a7%9c%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%9c%e0%a6%93/.html">আসাদের শার্ট উড়ছে আজও</a> appeared first on <a href="https://mzamin.news">Mzamin</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>২০ জানুয়ারি শহীদ আসাদ দিবস। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাসে যে দিনগুলোতে উদ্দীপিত, আলোড়িত এবং অভিভূত হওয়ার আছে তারই অন্যতম একটি দিন ২০ জানুয়ারি।৫৫ বছর আগের দিনটি স্মরণে কবি শামসুর রাহমান তাঁর পঞ্চম বই ‘নিজ বাসভূমে’ (আমার নিজের দেশে) ‘আসাদের শার্ট ’ কবিতায় আসাদের রক্তে ভেজা শার্টকে চিত্রিত করে লিখেছেন, ‘গুচ্ছ গুচ্ছ করবীর মতো কিন্তু সূর্যাস্তের জ্বলন্ত মেঘের মতো আসাদের শার্ট উড়ছে হাওয়ায় নীলিমায় উড়ছে, উড়ছে অবিরাম আমাদের হৃদয়ে রৌদ্র-ঝলসিত প্রতিধ্বনিময় মাঠে চৈতন্যের প্রতিটি মোর্চায়।’প্রকৃত নাম আমানউল্লাহ আসাদুজ্জামান ১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক দিনটিতে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন।আর তাঁর মৃত্যুই আমাদের অধিকার আদায়ের রাস্তায় অগ্নি প্রজ্জ্বলিত করে। দাউ দাউ করে জ্বলে উঠা আগুনের তাপে জনতা জেগে পাকিস্তানি শাসকদের ভিত নড়িয়ে দেয়। বঙ্গবন্ধু মুক্ত হন কারাগার থেকে। প্রকৃতপক্ষে ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের আইয়ুব শাহীর পতনের দাবিতে গণআন্দোলনে পথিকৃৎ পুলিশের গুলিতে নিহত হন আসাদ।এরপর থেকেই এ দিনটি শহীদ আসাদ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।ওই সময় আরো দুজন শহীদ হন। শহীদ রুস্তম ও শহীদ মতিউর। বাম গণতান্ত্রিক চিন্তাচেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আসাদ শুধু ছাত্র নন, কৃষক-শ্রমিকদের মধ্যেও রাজনৈতিক কাজ শুরু করেন।আমানউল্লাহ আসাদুজ্জামান ওরফে আসাদ আমাদের জাতীয় চেতনার প্রতীক।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ছাত্র সেদিন নির্ভীক চেতনায় অগ্রসর হয়েছিলেন মানব মুক্তির সোপানে।জাতীয় মুক্তিসংগ্রামে ছাত্র-জনতার সম্পৃক্ততা গড়ে উঠেছিল বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে।বিশেষত ৬-দফার মধ্য দিয়ে।</p>
<p>১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বের কৌশলে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পরিণত হয়েছিল। জনতার অধিকাংশই ছিল নিম্নবর্গ জনগোষ্ঠী। ছাত্ররা ছিল কৃষিভিত্তিক বাংলার সাধারণ পরিবারের সদস্য, এছাড়া শ্রমিক জনতার সম্পৃক্ততা ৬ দফাকে এক দফায়(স্বাধীনতা) পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে এদেশের বামপন্থী রাজনীতির জায়গায় বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিজয় সূচিত হতে থাকে। বঙ্গবন্ধু কৃষক-শ্রমিক, ছাত্র-জনতাকে এক ছাতার নিচে নিয়ে এসেছিলেন আত্মত্যাগের রাজনীতি করে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>১৯৬৫ সালে বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতা ও আপত্তিকর বক্তব্য প্রদানের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। পরবর্তীকালে হাইকোর্টের নির্দেশে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি লাভ করেন। পুনরায় তাঁর দীর্ঘ কারাজীবনের সূচনা ঘটে ছয় দফাকে কেন্দ্র করে।প্রস্তাবিত ছয়-দফা ছিল বাঙালি জাতির মুক্তি সনদ।১৯৬৬ সালের মার্চ মাসে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।তিনি ছয়-দফার পক্ষে জনমত সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সারা পূর্ববাংলায় গণসংযোগ সফর শুরু করেন।এ সময় তাঁকে সিলেট, যশোহর, ময়মনসিংহ ও ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে বার বার গ্রেফতার করা হয়।শেখ মুজিব এ বছরের প্রথম তিন মাসে আট বার গ্রেফতার হন।এবার তিনি একনাগাড়ে প্রায় তিন বছর কারাবাস করেন।৭ জুন বঙ্গবন্ধু ও আটক নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে এবং ছয়-দফার সমর্থনে সারাদেশে হরতাল পালিত হয়। হরতালের সময় ঢাকার তেজগাঁও, নারায়ণগঞ্জ ও টঙ্গীতে পুলিশের গুলিতে মনুমিয়াসহ বেশ কয়েকজন নিহত হন।এই দিনই বাঙালির আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ছয়-দফা বাংলাদেশের মহাসনদে (ম্যাগনাকাটা) পরিণত হয়।এই ছয় দফার ফলাফল হলো ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে বঙ্গবন্ধুর জেলমুক্তি, এর ফলাফল হলো সত্তরের নির্বাচনে বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগের জয় লাভ, আর তারপর ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে তার শেষ পরিণতি অর্জন।৬ দফার শেষ দফায় বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন তিনি মানুষের খাদেম; জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বাকি জীবন ত্যাগ করতে পারবেন।তিনি ১৯৬৬ সালে কারাগারে থেকেও দেখেছিলেন ছয় দফা দাবির জন্য মানুষকে রক্ত দিতে এবং আন্দোলন পরিচালনা করতে।একারণে ১৯৬৯ সালে ছাত্রদের আত্মত্যাগ ও প্রতিবাদী চারিত্র্য আকস্মিক কোনো ব্যাপার ছিল না। আসাদের আত্মত্যাগ বঙ্গবন্ধুর বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনেরই উদ্দীপিত রূপ।১৯৬৯ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত হয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ।আসাদ ছিলেন এই সংগ্রাম পরিষদেরই একজন আত্মত্যাগী নেতা।</p>
<p>আসাদের জন্ম ১০ জুন ১৯৪২ সালে নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার ধানুয়া গ্রামে।মাত্র ২৬ বছর জীবনকালে তিনি ইতিহাসের পৃষ্ঠায় স্থান পেয়েছেন কেবল আত্মত্যাগের কারণে।মনে রাখতে হবে বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে ২০ জানুয়ারি বিক্ষোভের সময় পুলিশের হাতে তার মৃত্যুই ছাত্র-গণ আন্দোলনের প্রকৃতি পরিবর্তন করে দেয় এবং আইয়ুব শাসন ও তার দমনমূলক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে গণ-অভ্যুত্থানে পরিণত হয়।তার আত্মদানই মুক্তিযুদ্ধের মঞ্চ তৈরি করেছিল।তিনি আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক মরণোত্তর স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে ভূষিত হন ২০১৮ সালে।শিবপুরে জন্মগ্রহণকারী আসাদ ১৯৬০ সালে শিবপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পাশ করে তৎকালীন জগন্নাথ জগন্নাথ কলেজ এবং মুরারি চাঁদ কলেজে পড়াশোনা করেন। ১৯৬৩ সালের পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন, ১৯৬৬ সালে স্নাতক এবং ১৯৬৭ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ওই বছর রাজনৈতিক নেতাদের নির্দেশে শিবপুর, মনোহরদী, রায়পুরা ও নরসিংদী এলাকায় কৃষক সমিতি গঠনে সচেষ্ট হন।অন্যদিকে ঢাকার সিটি ল কলেজে অধ্যয়ন করার পর আসাদ ১৯৬৮ সালে আরও ভালো ফলাফল করার প্রয়াসে দ্বিতীয় এমএ পরীক্ষায় বসেন। ১৯৬৯ সালে মৃত্যুর সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে এমএ শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা হল ইউনিটের সভাপতি এবং তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (EPSU, মেনন গ্রুপ) এর ঢাকা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।আসাদ তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে দরিদ্র ও ক্ষমতাহীনদের শিক্ষাগত অধিকারের প্রতি আগ্রহী ছিলেন।তিনি শিবপুর নাইশা বিদ্যালয় নামে একটি নৈশ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এবং স্থানীয় জনগণের জন্য একটি কলেজ (শিবপুর কলেজ) স্থাপনের জন্য তহবিল সংগ্রহ করেছিলেন।</p>
<p>আগেই বলা হয়েছে, আসাদের মৃত্যুর দিকে পরিচালিত ঘটনাগুলির অনুঘটকের মধ্যে রয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছয় দফা আন্দোলন এবং আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা যেখানে বঙ্গবন্ধু এবং আরও কয়েক ডজন নেতার বিরুদ্ধে পাকিস্তান সরকার রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছিল।১৯৬৮ সালের ডিসেম্বরে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী গভর্নর হাউসের বিরুদ্ধে একটি পদযাত্রার আয়োজন করেন।অবশ্য ছাত্র সংগঠনগুলো ইতোমধ্যেই প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে ওঠে। তারা বেশ কয়েকটি শ্রমিক সংগঠনের সাথে মিলে ১৯৬৮ সালের ৬ ডিসেম্বর একটি দমন প্রতিরোধ দিবসের আয়োজন করে।পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে হরতালও ঘোষণা করা হয়।৪ জানুয়ারি ১৯৬৯-এ ১১-দফা কর্মসূচি বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা আন্দোলনের একটি সম্প্রসারণ কর্মসূচি হিসেবে ছাত্র নেতাদের একটি জোট দ্বারা প্রচার করা হয়েছিল, যার মধ্যে আসাদ একজন সংগঠক হিসেবে কাজ করেছিলেন।১৯৬৯ সালের ১৭ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সভায় ছাত্র বিক্ষোভকারীরা ২০ জানুয়ারি (১৯৬৯)পূর্ব বাংলার সকল ক্যাম্পাসকে একত্রিত করে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেয়। গভর্নর মোনেম খান ছাত্রদের উপর ১৪৪ ধারা জারি করে এই পদক্ষেপ প্রতিরোধ করতে চেয়েছিল।চারজনের বেশি মানুষকে একত্রিত হওয়ার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা ছিল।কিন্তু সেদিন সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার নীতিতে অটল ছিল ছাত্রসমাজ।</p>
<p>১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি দুপুরের দিকে, ছাত্ররা তাদের পরিকল্পিত প্রতিবাদের সূচনা করে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে একটি মিছিল নিয়ে চানখার পুলের দিকে রওনা হয়।চানখানের পুলের কাছে পুলিশ লাঠিচার্জ করলেও বিক্ষোভকারীরা প্রতিরোধ চালিয়ে যায়।প্রায় এক ঘণ্টা সংঘর্ষের পর আসাদসহ অন্য ছাত্রনেতারা সমাবেশে মিছিল ও স্লোগান মুখরিত করে রাখার চেষ্টা করেন।সেসময় বাহাউদ্দিন নামে পুলিশের একজন ডিএসপি খুব কাছ থেকে আসাদকে গুলি করে। গুরুতর আহত আসাদকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।এ ঘটনার পরই বাংলাদেশ বারুদে তাপে জ্বলে উঠে।</p>
<p>হাজার হাজার ছাত্র ও সাধারণ মানুষ একসঙ্গে মিছিল করে আসাদের জন্য শোক প্রকাশ করে। তার রক্তমাখা শার্ট শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়া হয়।কেন্দ্রীয় অ্যাকশন কমিটি ২২, ২৩ এবং ২৪ জানুয়ারি তার জন্য তিন দিন ব্যাপী শোক দিবসের ঘোষণা করে এবং ওই দিনগুলিতেও ধর্মঘট আহ্বান করা হয়। তার রক্তমাখা শার্ট হয়ে উঠে মুক্তির নিশানা।শহীদ আসাদের রক্তমাখা শার্ট নিয়ে পরদিন ঢাকায় বের হয় শোক মিছিল। বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা ছুটে যান মোহাম্মদপুরের &#8216;আইয়ুব গেট&#8217;র সামনে। ক্ষুব্ধ জনতা &#8216;আইয়ুব গেট&#8217;র নামফলক গুঁড়িয়ে দিয়ে রক্ত দিয়ে সেখানে লেখে ‘আসাদ গেট’।কিন্তু ধর্মঘটের শেষ দিনে পুলিশ আবারও গুলি চালায়।আর সেই দমন-নিপীড়নের মধ্য দিয়ে বিজয়ের অভ্যুত্থান এগিয়ে আসে।রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের প্রশাসন আসাদের মৃত্যুর দিন থেকে দুই মাসের মধ্যে গদি ছাড়তে বাধ্য হয়। ১৯৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা সেনানিবাসে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি সার্জেন্ট জহুরুল হক ও ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. শামসুজ্জোহা হত্যাকাণ্ডের ফলে শেষ পর্যন্ত ২২ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু ও আগরতলা মামলায় অভিযুক্তদের মুক্তি দেওয়া হয়।অবশেষে সে বছর ২৫ মার্চ ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয় আইয়ুব খান।কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ‘চিলেকোঠার সেপাই’ উপন্যাসে তুলে ধরেছেন শহীদ হওয়ার পর আসাদের শার্ট নিয়ে অবিস্মরণীয় মিছিলকে-‘আসাদের রক্ত-বৃথা যেতে দেবো না!’ পায়ের আঙুলে ভর দিয়ে উঁচু হয়ে দেখতে চেষ্টা করে ওসমান, না হে, মিছিলের মাথা দ্যাখা যায় না। অনেক সামনে উঁচু একটা বাঁশের মাথায় উড়ে আসাদের রক্তমাখা শার্টের লাল ঝাণ্ডা। বাঁশের মাথায় এই শার্ট হলো দস্তিদারের হাতের লাল লন্ঠন। নদীর জাহাজ নয়, নদীই আজ ছুটতে শুরু করেছে দস্তিদারের লাল লন্ঠনের পেছনে।এই পাগলপারা জলোস্রোতকে আজ সামলায় কে?’ ঠিকই, সেদিন পাকিস্তান সরকার সামলাতে পারেনি বাঙালির জাগরণকে।</p>
<p>৫৫ বছর আগের সেই উত্তাপ না থাকলেও প্রতিবাদের সেই সমাবেশ ও আত্মত্যাগ আজও অবিস্মরণীয়।যদিও ‘অবহেলিত শহীদ আসাদের কবর, মানুষ জানে না তার ইতিহাস’ প্রভৃতি সংবাদ দেখা যায় পত্রিকায়।নিজ বাড়ির বকুলতলায় কবর শহীদ আসাদের। শিবপুরে আসাদের নামে দুটি স্কুল-কলেজ থাকায় সাধারণ মানুষের কাছে নামটি পরিচিত হলেও তার মৃত্যুর ইতিহাস ও আসাদ দিবসের ব্যাপারটি বেশিরভাগ মানুষের কাছেই অজানা।এজন্যই দরকার আসাদের আত্মত্যাগকে মহিমান্বিত করে প্রচার করা।কারণ ‘‘গণতন্ত্রের ইতিহাসে ‘শহীদ আসাদ দিবস’ একটি অবিস্মরণীয় দিন।’’ গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে শহীদ আসাদের অসামান্য অবদান দেশের গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।এজন্যই কবি লিখেছেন-‘আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা।’</p>
<p>(লেখক : ড. মিল্টন বিশ্বাস, বঙ্গবন্ধু গবেষক, বিশিষ্ট লেখক, কবি, কলামিস্ট, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য, সম্প্রীতি বাংলাদেশ এবং অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, বাংলা বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, email-drmiltonbiswas1971@gmail.com)</p>
<p>The post <a href="https://mzamin.news/2024/01/20/%e0%a6%ae%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0/64973/%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%89%e0%a7%9c%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%9c%e0%a6%93/.html">আসাদের শার্ট উড়ছে আজও</a> appeared first on <a href="https://mzamin.news">Mzamin</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://mzamin.news/2024/01/20/%e0%a6%ae%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0/64973/%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%89%e0%a7%9c%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%9c%e0%a6%93/.html/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>‘স্যার’ না ডাকা নিয়ে ‘আপত্তি’, সমাধান কোন পথে</title>
		<link>https://mzamin.news/2021/10/24/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/34235/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a4/.html</link>
					<comments>https://mzamin.news/2021/10/24/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/34235/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a4/.html#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মুক্তজমিন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 24 Oct 2021 04:17:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অনলাইন]]></category>
		<category><![CDATA[প্রধান সংবাদ]]></category>
		<category><![CDATA[মত-মতান্তর]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://mzamin.news/?p=34235</guid>

					<description><![CDATA[<p>‘স্যার’ বা ‘ম্যাডাম’ না ডাকলে প্রশাসনের, বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ে কর্মকর্তারা মনোক্ষুণ্ন হন। সেবাগ্রহীতাদের কেউ ‘স্যার’ সম্বোধন না করায় কর্মকর্তাদের প্রতিক্রিয়ায় প্রায়ই প্রশাসনে বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। আবার কর্মকর্তাদের সম্বোধনের ক্ষেত্রে কোনো নির্দেশনা দেওয়ার পক্ষেও নয় সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সাধারণ মানুষের সরকারি কর্মকর্তাদের ‘স্যার’ বা ‘ম্যাডাম’ বলার কোনো বিধান নেই। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://mzamin.news/2021/10/24/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/34235/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a4/.html">‘স্যার’ না ডাকা নিয়ে ‘আপত্তি’, সমাধান কোন পথে</a> appeared first on <a href="https://mzamin.news">Mzamin</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>‘স্যার’ বা ‘ম্যাডাম’ না ডাকলে প্রশাসনের, বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ে কর্মকর্তারা মনোক্ষুণ্ন হন। সেবাগ্রহীতাদের কেউ ‘স্যার’ সম্বোধন না করায় কর্মকর্তাদের প্রতিক্রিয়ায় প্রায়ই প্রশাসনে বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। আবার কর্মকর্তাদের সম্বোধনের ক্ষেত্রে কোনো নির্দেশনা দেওয়ার পক্ষেও নয় সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সাধারণ মানুষের সরকারি কর্মকর্তাদের ‘স্যার’ বা ‘ম্যাডাম’ বলার কোনো বিধান নেই। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জনগণের সেবক।</p>
<p>তবে জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সাবেক আমলারা বলছেন, ‘স্যার’ বলার সংস্কৃতিটি ঔপনিবেশিক। প্রশাসনের অনেক কর্মকর্তা এখনো সেই সংস্কৃতি থেকে বের হতে পারেননি। মানসিকতার পরিবর্তন না হলে এই পরিস্থিতির উন্নতি হবে না। কর্মকর্তাদের সেই চিন্তাধারা থেকে বের করতে সরকারের পদক্ষেপও নেই।</p>
<p>মানুষকে তো একটা সম্বোধন করতে হবে। স্যারও বলা যেতে পারে, তাই বলে প্রভু হয়ে যাননি উনি। তিনি জনগণের সেবক। কাউকে ভদ্রোচিতভাবে সম্বোধন করার ক্ষেত্রে ‘স্যার’ বলা যেতে পারে। বাংলায় তো নানা ধরনের ভাষার শব্দের সংমিশ্রণ রয়েছে</p>
<p>সরকারি কর্মচারীরা জনগণের সেবক, প্রভু নয়—চাকরিতে প্রবেশের সময় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করে তা কর্মকর্তাদের মাথায় ঢুকিয়ে দিয়ে এবং প্রশাসনের শীর্ষ ব্যক্তিদের চিন্তাধারায় পরিবর্তন আনলে এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটতে পারে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সাবেক আমলারা। দুপক্ষের জন্য সম্মানজনক একটি সম্বোধন নির্ধারণ কিংবা আন্তর্জাতিক রীতি অনুযায়ী, কর্মকর্তাদের নাম ধরে ডাকার সংস্কৃতি চালু করা যায় বলেও জানিয়েছেন তারা।</p>
<p>এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন  বলেন, ‘মানুষকে তো একটা সম্বোধন করতে হবে। স্যারও বলা যেতে পারে, তাই বলে প্রভু হয়ে যাননি উনি। তিনি জনগণের সেবক। কাউকে ভদ্রোচিতভাবে সম্বোধন করার ক্ষেত্রে ‘স্যার’ বলা যেতে পারে। বাংলায় তো নানা ধরনের ভাষার শব্দের সংমিশ্রণ রয়েছে।’</p>
<p>আমাদের তো একটা ক্লিয়ার মেসেজ গেছে। আমি বলে দিয়েছি স্যার বা ম্যাডাম বলার কোনো বিধান নেই। কোনো আইনে নেই যে তাকে এটা বলতে হবে। আমাদের জনগণের সঙ্গে মিশে যেতে হবে। জনগণের সঙ্গে মিশে যেতে হলে কেউ যদি বলে, রাগ করার তো কিছু নেই। আমার কাজটা হচ্ছে আপনাকে সার্ভিস দেওয়া</p>
<p>সম্বোধন নিয়ে তো মাঝে মাঝেই বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে—এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের তো একটা ক্লিয়ার মেসেজ গেছে। আমি বলে দিয়েছি স্যার বা ম্যাডাম বলার কোনো বিধান নেই। কোনো আইনে নেই যে তাকে এটা বলতে হবে। আমাদের জনগণের সঙ্গে মিশে যেতে হবে। জনগণের সঙ্গে মিশে যেতে হলে কেউ যদি বলে, রাগ করার তো কিছু নেই। আমার কাজটা হচ্ছে আপনাকে সার্ভিস দেওয়া।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘এখন অনেক কিছু পরিবর্তন হচ্ছে। এগুলোর ক্ষেত্রেও কিন্তু চিন্তা-ভাবনায় আমরা পরিবর্তন করতে পারছি। এখন প্রশাসনে অনেক ভালো ভালো শিক্ষার্থী আসছেন। অনেক সময় সরকারকে বিব্রত করার জন্যও কিছু কিছু ঘটনা ঘটে।’</p>
<p>এ বিষয়ে সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ‘বিদেশে সরকারি কর্মকর্তা ও মন্ত্রীদের নাম ধরে ডাকে (নাগরিকরা)। আমাদের এখানেও এই কালচার শুরু করে সবাইকে নাম ধরে ডাকা উচিত। এটাই ইন্টারন্যাশনাল প্র্যাকটিস। এটা সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে। তবেই এ সমস্যার সমাধান হবে।’</p>
<p>স্থানীয় সরকার বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব আবু আলম মো. শহীদ খান বলেন, “স্যার বলার কালচার (সংস্কৃতি) শত শত বছর ধরে চলে আসছে। এটা আমাদের ঔপনিবেশিক ঐতিহ্য। এটার লালন শুধু প্রশাসনেই নয়, সমাজের সবখানে। মেডিকেল কলেজের অধ্যাপককে ‘ভাই’ বলেন, দেখেন তার কী চেহারা হয়।”</p>
<p>বিদেশে সরকারি কর্মকর্তা ও মন্ত্রীদের নাম ধরে ডাকে (নাগরিকরা)। আমাদের এখানেও এই কালচার শুরু করে সবাইকে নাম ধরে ডাকা উচিত। এটাই ইন্টারন্যাশনাল প্র্যাকটিস। এটা সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে। তবেই এ সমস্যার সমাধান হবে</p>
<p>তিনি বলেন, ১৮ লাখ সরকারি কর্মচারী, তাদের যদি আমাদের কৃষক ভাই স্যার না ডাকেন তারা রাগান্বিত হন। কখনো কখনো ডিসি-ইউএনওকে স্যার না বলায় তারা এমন একটা আচরণ করেন যেটায় খবর (সংবাদ) হয়। আমাদের আসলে যেতে হবে এ বিষয়টার গভীরে, যেটা ঔপনিবেশিক কালচার থেকে এসেছে, যা আমরা খুব চমৎকারভাবে লালন করছি।</p>
<p>‘উল্টো করে বলা যায়, জনগণের পয়সায় যাদের বেতন-ভাতা হয়, সেই বেতন নিয়ে পরিবারের ভরণ-পোষণ, ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া হয়—সেই জনগণকে স্যার বলা দরকার। এ বিষয়টি আমাদের কালচারের মধ্যে প্রোথিত করতে হবে’—যোগ করেন সাবেক এই সিনিয়র সচিব।</p>
<p>তাদের (সরকারি কর্মকর্তা) যখন নতুন নিয়োগ হবে, ট্রেনিং হবে—তখন তাদের মধ্যে এ বিষয়ে চিন্তাটা ঢুকিয়ে দেওয়া। এছাড়া উপরের পর্যায়ের যে কর্মকর্তারা রয়েছেন তাদের নিয়ে যেন কথা বলতে পারি এবং তাদের মধ্যে এটা প্রোথিত করতে পারি যে, ভাই এই দেশের মালিক তো জনগণ, স্যার বলার যে নিয়ম সেটা ছেড়ে দিতে হবে। জনগণের সেবা করার মনোবৃত্তি নিয়ে বরং তাদের স্যার বলা শুরু করো। তখন হয়তো এ সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারবো। অন্যথায় এটা ঠিক হওয়ার কোনো উপায় নেই</p>
<p>তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছরেও আমাদের সংস্কৃতিতে এমন কিছু করিনি বা আমরা এমন কিছু ট্রেনিংয়ে আনিনি যার মাধ্যমে তারা (কর্মকর্তারা) ঔপনিবেশিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন। এই সংস্কৃতি থেকে বের করে আনতে হলে সার্কুলার দিয়ে কোনো লাভ হবে না।’</p>
<p>প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সচিবের দায়িত্বে থাকা শহীদ খান বলেন, ‘তাদের (সরকারি কর্মকর্তা) যখন নতুন নিয়োগ হবে, ট্রেনিং হবে—তখন তাদের মধ্যে এ বিষয়ে চিন্তাটা ঢুকিয়ে দেওয়া। এছাড়া উপরের পর্যায়ের যে কর্মকর্তারা রয়েছেন তাদের নিয়ে যেন কথা বলতে পারি এবং তাদের মধ্যে এটা প্রোথিত করতে পারি যে, ভাই এই দেশের মালিক তো জনগণ, স্যার বলার যে নিয়ম সেটা ছেড়ে দিতে হবে। জনগণের সেবা করার মনোবৃত্তি নিয়ে বরং তাদের স্যার বলা শুরু করো। তখন হয়তো এ সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারবো। অন্যথায় এটা ঠিক হওয়ার কোনো উপায় নেই।’</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, স্যার বলার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এই বলা দিয়ে কিছু হবে না। আমি যদি কোনো অফিসে যাই, আমাকে যদি তারা না চেনে, আমি যদি স্যার না বলি তারা আমাকে বের করে দেবে। আমি কিন্তু সরকারের একজন সচিব ছিলাম। যেখানে আমরা জনসেবার দায়িত্বে আছি, সেখানে আমরা প্রভুর মতো আচরণ করি। স্যার তো একটা অনুষঙ্গ মাত্র।’</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন বলেন, ‘পদবি ধরে কর্মকর্তাদের সম্বোধন করা যায়। পদের আগে মাননীয় বা সম্মানিত বলা যেতে পারে। এতে সম্মানজনকভাবে এর সমাধান হতে পারে। এমন একটা পথ বের করতে হবে, যেন জনগণের সম্মান রক্ষা হয় এবং কর্মকর্তারাও যেন সন্তুষ্ট থাকেন। এমন একটা সম্বোধন আমাদের বের করতে হবে।’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘আমাদের এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা ঔপনিবেশিক আমলে তৈরি হয়েছে। তাই এ মাইন্ডসেট থেকে আমাদের সরকারি কর্মকর্তারা বের হয়ে আসতে পারেননি।’</p>
<p>‘যখন কেউ সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন, তখন তাদের যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, সেখানে আসলে এই জিনিসটি অ্যাড্রেস করা উচিত। স্বাধীন দেশে তাদের অবস্থানটা কী তা পরিষ্কারভাবে বোঝানো উচিত। তারা জনগণের সেবক, ঔপনিবেশিক আমলের মানসিকতা এখনকার জন্য উপযোগী নয়। এটা ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে তাদের মাথায় ঢুকিয়ে দিতে হবে। ফাউন্ডেশন ট্রেনিংসহ অন্যান্য ট্রেনিংয়ে এ জিনিসটা জোর দিতে হবে’—বলেন ড. আখতার।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘একটি গণতান্ত্রিক দেশে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও মানুষের ওপরে হতে পারেন না। এই বোধটা আমরা তাদের (সরকারি কর্মকর্তা) মধ্যে তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছি।’</p>
<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের আরেক অধ্যাপক ড. মুসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ইউএন চার্টারে হিউম্যান রাইটস হিসেবে যা আছে আমরা সেটাকেই সংবিধানে নাম দিয়েছি মৌলিক অধিকার। সংবিধানে ২৬ অনুচ্ছেদ থেকে ৪৮ (এ) পর্যন্ত আছে মৌলিক অধিকার। সেখানে মাস্টার (প্রভু) বলে কিছু নেই। সেখানে সবাই সমান। সেখানে একপক্ষ সেবা দেবে; আরেক পক্ষ নাগরিক, যারা সেবা নেবে।’</p>
<p>তিনি বলেন, ‘সম্বোধনের বিষয়ে রাষ্ট্র থেকে পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, স্যার সম্বোধনের বাধ্যবাধকতা নেই। কর্মকর্তাদের বুঝতে হবে, আমি জনগণকে সার্ভিস ডেলিভারি দিচ্ছি। কাজ করতে গিয়ে আমি প্রভু হয়ে যাবো, সেটা নয়। আমাকে স্যার ডাকতে হবে, এমন কোনো কনসেপ্ট নেই।’</p>
<p>মোসলেহ উদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘মাইন্ডসেট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা চাকরিতে প্রবেশের সময় ফাউন্ডেশন ট্রেনিংয়ে নিয়ে আসতে হবে। সেখানে আইটেমটা ঢুকিয়ে দেওয়া যায় এবং এ বিষয়ে জোর দেওয়া যায়, সেটা কাজের হবে। তাদের (কর্মকর্তা) বুঝিয়ে দিতে হবে তারা সেবা প্রদানকারী। সেবা প্রদানের মধ্যে প্রভু ও চাকরের সম্পর্ক থাকে না। আপনি সার্ভিস প্রোভাইডার আর জনগণ সার্ভিস হোল্ডার।’</p>
<p><strong>‘স্যার’ না ডাকায় যত বিপত্তি</strong><br />
গত ৪ অক্টোবর কুমিল্লার বুড়িচংয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছাম্মৎ সাবিনা ইয়াছমিনকে ‘আপা’ বলে সম্বোধন করেছিলেন জামাল উদ্দিন (৪৫) নামের স্থানীয় এক ব্যবসায়ী। এতে রেগে গিয়ে ওই ব্যবসায়ীকে ‘মা’ ডাকতে বলেন সেই ইউএনও। ভুক্তভোগী জামাল উদ্দিন বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করলে মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়।</p>
<p>গত ৩০ মে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাশও একই আচরণ করেন। এক সাংবাদিক ‘স্যার’ না ডেকে ভাই বলে সম্বোধন করায় আপত্তি তোলেন তিনি। ওই সময় কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ বলেন, ‘আপনাদের ভাই ডাকার রেওয়াজ আর গেলো না। আপনি জানেন এই চেয়ারে বসতে আমাদের কত কষ্ট করতে হয়েছে?’</p>
<p>গত ৮ জুলাই মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুনা লায়লাকে ‘স্যার’ না বলে ‘আপা’ বলায় এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ ওঠে। দাবি করা হয়, ইউএনও’র নির্দেশে সিংগাইর থানা পুলিশ ওই ব্যক্তিকে পেটিয়ে জখম করে।</p>
<p>চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বরত চিকিৎসককে ‘স্যার’ না ডেকে ‘দাদা’ বলে ডাকায় ব্রেন স্ট্রোকের রোগীকে চিকিৎসা না দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। চিকিৎসার অভাবে রোগী মারা গেছেন বলেও দাবি করেন তার স্বজনরা।</p>
<p>২০২০ সালের ৭ অক্টোবর একটি সংবাদের তথ্য নেওয়ার সময় ‘স্যার’ না ডেকে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করায় এক সাংবাদিকের ওপর ক্ষেপে যান সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের ইউএনও শফি উল্লাহ।</p>
<p>২০১৯ সালের ১৫ মে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে ‘ম্যাডাম’ না ডাকায় এসিল্যান্ড (সহকারী কমিশনার-ভূমি) সঞ্চিতা কর্মকারের বিরুদ্ধে এক মাছ ব্যবসায়ীকে লাথি মারার অভিযোগ ওঠে। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর মাছ ড্রেনে ফেলে দেন এ সরকারি কর্মকর্তা।</p>
<p>২০১৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর যশোরের অভয়নগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুস সোবহানকে ‘স্যার’ বলে সম্বোধন না করায় ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি অফিস থেকে চার সাংবাদিককে বের করে দেন।</p>
<p>২০১৮ সালের ১০ জানুয়ারি ‘ম্যাডাম’ না বলায় স্থানীয় এক সংবাদকর্মীর ওপর চটে যান পাবনার বেড়া ইউএনও ফারজানা খানম। উত্তেজিত হয়ে এ সময় ইউএনও সাংবাদিককে বলেন, ‘আপনি কতদিন ধরে সাংবাদিকতা করেন। আপনি জানেন না একজন ইউএনওকে স্যার বা ম্যাডাম বলতে হয়?’</p>
<p>২০১৮ সালের ৮ মার্চ ‘স্যার’সম্বোধন না করায় চট্টগ্রামের সংগঠক সাজ্জাত হোসেনের সঙ্গে তখনকার পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেলুল কাদের দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ ওঠে। সাজ্জাত হোসেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ চট্টগ্রাম নগর কমিটির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী। সাজ্জাত পরে এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগও দেন।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>The post <a href="https://mzamin.news/2021/10/24/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/34235/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a4/.html">‘স্যার’ না ডাকা নিয়ে ‘আপত্তি’, সমাধান কোন পথে</a> appeared first on <a href="https://mzamin.news">Mzamin</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://mzamin.news/2021/10/24/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/34235/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a4/.html/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>একজন শেখ হাসিনা এবং আমরা</title>
		<link>https://mzamin.news/2021/08/08/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/21639/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%96-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%be/.html</link>
					<comments>https://mzamin.news/2021/08/08/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/21639/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%96-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%be/.html#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মুক্তজমিন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 08 Aug 2021 07:37:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অনলাইন]]></category>
		<category><![CDATA[মত-মতান্তর]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://mzamin.news/?p=21639</guid>

					<description><![CDATA[<p>ডেস্ক রিপোর্ট সারা বিশ্বে চিত্রজগত বড়ই বিচিত্র। সম্প্রতি পরীমনি নামক একজন অন্যতম শীর্ষ মডেল কাম চিত্রনায়িকার গ্রেফতার নিয়ে গণমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় হয়েছে। করোনা এবং ডেঙ্গুর প্রভাব ছাড়াও প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দুর্ভোগ আমরা মোকাবিলা করছি। শোকের মাস এই আগস্টের শুরু থেকেই মিডিয়াগুলো পরীমনিদের অপ্রীতিকর ঘটনা নিয়ে অতিরিক্ত মাতামাতিতে ব্যস্ত। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, বর্তমানে এটাই আমাদের মেজর ন্যাশনাল [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://mzamin.news/2021/08/08/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/21639/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%96-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%be/.html">একজন শেখ হাসিনা এবং আমরা</a> appeared first on <a href="https://mzamin.news">Mzamin</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>ডেস্ক রিপোর্ট</strong></p>
<p>সারা বিশ্বে চিত্রজগত বড়ই বিচিত্র। সম্প্রতি পরীমনি নামক একজন অন্যতম শীর্ষ মডেল কাম চিত্রনায়িকার গ্রেফতার নিয়ে গণমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় হয়েছে। করোনা এবং ডেঙ্গুর প্রভাব ছাড়াও প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দুর্ভোগ আমরা মোকাবিলা করছি। শোকের মাস এই আগস্টের শুরু থেকেই মিডিয়াগুলো পরীমনিদের অপ্রীতিকর ঘটনা নিয়ে অতিরিক্ত মাতামাতিতে ব্যস্ত। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, বর্তমানে এটাই আমাদের মেজর ন্যাশনাল ক্রাইসিস। বাংলাদেশে যে এতগুলো প্রাইভেট ক্লাব আছে, যেখানে ‘খুল্লাম খুল্লা পেয়ার কারেঙ্গে হাম্ দোনো’ স্টাইলের বিনোদনের ব্যবস্থা থাকে, তা সাধারণ মানুষের কল্পনারও বাইরে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আসলে সব দেশেই, সব সংস্কৃতিতেই রাতের অন্ধকারে অনেক ধরনের খেলা চলে। অনেক বড় বড় অফিসার থেকে শুরু করে ধনী ও প্রভাবশালীদের মধ্যে কিছু শারীরিক ক্ষুধা, চাহিদা থাকে। সেটা তারা রাতের আঁধারে চরিতার্থ করতে চায় বিভিন্ন রকম পরিবেশে। এটা প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতেও হয়। সম্প্রতি শিল্পা শেঠির স্বামী রাজ কুন্দ্রাকে নিয়ে যে কাণ্ড হলো, সেটা হিমবাহের উপরিভাগ মাত্র। ধরা পড়লে ওটুকুই কেবল দেখা যায়, আড়ালে থেকে যায় সিংহভাগ। আবার ধরা পড়ার চেয়ে ধরা না পড়া ঘটনাও অনেক বেশি। পাঠক শুধু জানতে পারেন কোনো ঘটনায় কেউ ধরা পড়ার পর।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>এ দেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, আবার এটা ধর্মনিরপেক্ষ দেশও বটে। এখানে মেয়েদের তিন ক্লাসের পর আর পড়ালেখা করা উচিত নয় বলে নানান জায়গায় প্রচার করা হয়, ধর্ষণের অজুহাত হিসেবে পোশাকের কথা বলা হয়, আবার ছোট্ট শিশুরাও এখানে ধর্ষণের শিকার হয়। নারীদের নিষ্পেষণের জন্য এক ভয়ংকর পুরুষতান্ত্রিক সমাজ এটা। আবার এসব কিছু মেনেই আমাদের এত এত ক্লাব আছে, তারা লাইসেন্স পায়, সেখানে মদোৎসবও চলে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>পুরুষের পকেটে অতিরিক্ত অর্থ হলে তাকে যেন জাতে উঠতে হবে। এজন্য বিভিন্ন ক্লাবে যেতে হবে, মদ খেতে হবে, টেনিস কিংবা গলফ খেলতে হবে, কিছু পরকীয়া করতে হবে, কিছু নারী সঙ্গিনী থাকতে হবে এবং তাকে ডিসকো পার্টিতেও যেতে হবে। এগুলো যেন সমাজের উচ্চবিত্তের স্ট্যাটাস সিম্বল। সেই সঙ্গে অর্থবান পুরুষদের বউকে সুন্দরী হতে হবে এবং তাদের শরীরের কিছু অংশ দেখানোর মতো বিশেষ ডিজাইনের পোশাকও পরতে হবে। তাদের কথা বলতে হবে অর্ধেক ইংরেজির সঙ্গে অর্ধেক বাংলা মিশিয়ে। এবং আজকাল এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন ধরনের ‘দামি ডিজাইনার’স্’ ব্যাগ, জুতা, ঘড়ি, ব্রেসলেট—যেসবের দাম হাজার হাজার ডলার। সুতরাং পরীমনিরাই শুধু পাপ করে না, তাদের কাছে যারা যায়, যদি পাপ হয়েই থাকে, তারাও সেই পাপের ভাগিদার। কিন্তু আমাদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজে অপরাধ দেখা হয় একপাক্ষিকভাবে, নারীদের দিক থেকে। অর্থনীতির নিয়মে ডিমান্ড থাকলে তো সাপ্লাই থাকবেই। ডিমান্ড যারা তৈরি করছে, তারাই তো আসল কুশীলব। অথচ আমরা কেবল সাপ্লাই দেখছি, ডিমান্ড দেখছি না। মনে রাখতে হবে, পৃথিবীতে যুগে যুগে বড় বড় দেশে বড় বড় লোকের মধ্যে এমন ডিমান্ড ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>একটা বিষয় আমরা মেলাতে পারি না যে, কেবল শিল্পপ্রতিষ্ঠান চালিয়ে কেউ কেউ এত অর্থবিত্তের মালিক হন কী করে? কারণ, কোনো ব্যবসাতেই নিয়ম মেনে ট্যাক্স দিয়ে কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দিয়ে এত অল্প সময়ে হাজার হাজার কোটি টাকা আয় করা যায় না। আমাদের দেশে কিছু কিছু ব্যবসায়ী এতই বিত্তশালী যে, তারা রাতারাতি পুরো প্লেন ভাড়া করে বিদেশে উড়ে যেতে পারেন, বিদেশ থেকে আস্ত হাসপাতাল উড়িয়ে নিয়ে আসতে পারেন। ব্যবসায় তো আলাদিনের চেরাগ নেই। বরং ব্যবসার একটি সিস্টেম আছে। যেখানে জবাবদিহি থাকে, ব্যাংক ঋণ থাকে, নিয়মিত কিস্তি শোধ করার ব্যাপার থাকে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>বর্তমানে করোনার মধ্যে লক্ষ লক্ষ মানুষ কোনোক্রমে বেঁচেবর্তে আছে, হাজার হাজার মানুষের চাকরি চলে গেছে। এখন সারা বিশ্বে সবচাইতে জমজমাট আয়ের জায়গা হলো অনলাইন-ভিত্তিক ব্যবসা। কিন্তু আমাদের দেশে তৈরি পোশাকশিল্প এখনো সবচাইতে বেশি রেমিট্যান্স এনে দিচ্ছে। এজন্য সরকার এদেরই সব ধরনের সুবিধা দিচ্ছে। এরা যেহেতু সবচাইতে বেশি রেভিনিউ দেয় এবং বর্তমানে সংসদেও এদের সংখ্যা বেশি, সে কারণে ব্যবসায়ীদের পক্ষেই বিভিন্ন সুবিধা আইন-নীতিমালা তৈরি করতে বাধ্য হচ্ছে সরকার। এখন তো পলিটিক্স আর রাজনীতিবিদদের হাতে নেই, বিজনেসম্যানদের হাতে চলে গেছে, এটা হয়ে গেছে বিজনেসটিক্স। অথচ এককালে ব্যবসায়ীদের খুব একটা সম্মানের চোখে দেখা হতো না। আমরা ছোটবেলায় দেখতাম, ব্যবসায়ীদের হেয় করে বলা হতো, আরে ওরা বেনিয়া। বেনিয়ারা তাদের বাচ্চাকে ছোটবেলা থেকে গদিতে বসিয়ে দিত। গুজরাটি কিংবা মারোয়াড়িরা ছিল বেনিয়া, তারা শুধু পয়সা চিনত। কিন্তু বাঙালি সব সময় মূল্যবোধ, শিক্ষা, সংস্কৃতি, আদর্শ নিয়ে কথা বলেছে। সেই বাঙালিই আজ ব্যবসায়ী জাতিতে পরিণত হয়েছে। খুব ভালো কথা।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>বাংলাদেশে জিডিপি বেড়েছে। কোনো কোনো বড় ব্যবসায়ী যুক্তরাষ্ট্রে চার দফায় রোড শো করেছেন। সেখান গিয়ে বলছেন, এসো আমাদের দেশে, বিনিয়োগ করো। কিন্তু সত্যি কি করোনার এই মহামারির মধ্যে আমাদের দেশে এখন কেউ বিনিয়োগ করতে আসবে? এমনিতেই কাজ হারিয়ে সাধারণ মানুষের দুর্বিষহ অবস্থা, তার ওপর নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি শুধু শহর নয়, গ্রামীণ এলাকায়ও ছড়িয়ে পড়েছে। পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে গ্রামীণ এলাকায় খাদ্যে মূল্যস্ফীতির হার এখন ৬ শতাংশ ছাড়িয়েছে। এই অবস্থায় বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, করোনার জন্য কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের আগে মানুষের জীবিকা নিয়ে যে উদ্যোগ নেওয়া দরকার ছিল, সেটি করা হয়নি। যত দিন করোনা থাকবে, তত দিন দেশে বিনিয়োগ হবে না—এটা নিশ্চিত। তাই কর্মসংস্থান তৈরি করাও কঠিন। এজন্য অনেকের মতো আমিও মনে করি, দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সরাসরি সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>এখন দেখা যাচ্ছে, আমরা নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে যাওয়ার জন্য প্রচুর অর্থ খরচ করছি, বিনিয়োগের জন্য রোড শো করে বলছি—দেখো, আমাদের দেশে অনেক ক্লাব আছে, বিনোদনের ব্যবস্থা আছে, প্রচুর বিদ্যুৎ তৈরির অবকাঠামো আছে, আমাদের জমি আছে, রাস্তাঘাট আছে&#8230; ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু এর পরের চিত্রটা আমরা কী দেখতে পাচ্ছি? হঠাতই বলা হলো, ১ আগস্ট থেকে শ্রমিকদের কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে হবে, লকডাউন রেখেই এই নির্দেশ জারি করা হলো, অথচ তাদের যাতায়াতের জন্য ন্যূনতম ব্যবস্থা করা হলো না। এর আগে ঈদ করতে সপ্তাখানেকের জন্য সবকিছু খুলে দেওয়া হলো। জানা গেল, ঈদে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৫ লাখ সিম ব্যবহারকারী মানুষ। এদের সিংহভাগ ঢাকায় বিভিন্ন শিল্পকারখানায় চাকরি করেন। এরা ৮-১০ হাজার টাকা বেতনের চাকরি বাঁচাতে জীবন বাজি রেখে ৫-১০ গুণ অর্থ ব্যয় করে ভয়াবহ বিশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে নরকযন্ত্রণা সইতে সইতে ঢাকায় ফিরতে শুরু করলেন!</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>এটা রীতিমতো ফাঁদ। প্রায় কোটি মানুষকে করোনার ভেতরে একবার গ্রামে যেতে দিয়ে আবার হঠাৎ নোটিশে ঢাকায় ফিরিয়ে আনার ফাঁদ। প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে করোনা ছড়াতে ছড়াতে তারা একবার ঢাকা ছাড়লেন এবং প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে লঞ্চে বাদুড়ের মতো ঝুলে, লেগুনায়, ট্রাকে পশুর মতো ঠাসাঠাসি করে তারা ঢাকায় ফিরলেন। এসব দৃশ্য দেখে আমার কেবল মনে হচ্ছিল, আমরা উন্নত জাতি হওয়ার স্বপ্ন দেখছি, মধ্যম আয়ের দেশ হওয়ার মহাসড়কে উঠতে চাইছি, বিনিয়োগের জন্য রোড শো করছি—কিন্তু আমরা সত্যিকারের মানুষ হয়ে উঠতে পারিনি।</p>
<p><strong> </strong></p>
<p>যারা বাদুড়ঝোলা হয়ে ঢাকায় ফিরলেন, এই দরিদ্র মানুষগুলোর সঙ্গে আমরা কি জানোয়ারে মতো ব্যবহার করছি না? আমাদের সরকারের যেসব মন্ত্রণালয়ের জ্ঞানী কর্মকর্তারা এসব আদেশ-নির্দেশ দিচ্ছেন—এরা কি ভিনগ্রহের মানুষ? এদের জন্ম কি এই দেশে হয়নি? এরা কি এসব গরিবের দুর্ভোগের কথা কখনো সংবেদনশীল মনে ভাবতে পারেন না? এদের মন কি মরে গেছে? এরা কি মানুষ না? সব রোবট? কী করে একটা সরকারের মধ্যে এত সমন্বয়হীন ঘটনা একের পর এক ঘটতেই থাকে? এমনকি ন্যূনতম সচেতনতা হিসেবে পাবলিকের মুখে মাস্ক পরার বিষয়টিও আমরা নিশ্চিত করতে পারছি না। তার মানে হলো, আমাদের বিপুল জনসংখ্যাকে নিয়ন্ত্রণ করার মতো অবকাঠামো ও পরিকল্পনা আমাদের নেই। সর্বত্র এই সমন্বয়হীনতা দৃশ্যমান। আর সমন্বয়হীনতা আছে বলেই শেখ হাসিনা যত জায়গায় যত ধরনের সহায়তা দিচ্ছেন, তা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বৃথা যাচ্ছে। আমার ভয় হচ্ছে, এই দেশে শেখ হাসিনার মতো অসাধারণ এক নেতা পেয়েও ব্যক্তিস্বার্থবাজ কিছু মানুষের খামখেয়ালিপনায় এবং কিছু কর্মকর্তার উদ্ভট কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শেখ হাসিনার অন্তঃস্থ শক্তি যেন শুষে নেওয়া হচ্ছে! আমরা এত স্বার্থপর হয়ে গেছি যে, আওয়ামী লীগের নামে কেউ ভেতরে ভেতরে জামায়াত, হেফাজত, পাকিস্তানি মানসিকতা লালন করছি। শেখ হাসিনাকে তাঁর ভাই কামালের জন্য কাঁদতে দেখেছি, কিন্তু আমার মনে হয়েছে, হাসিনা কেবল ভাইয়ের জন্য কাঁদছেন না, তিনি নিজের অসহায়ত্বে কাঁদছেন, সারা দেশের মানুষের জন্য কাঁদছেন।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>সবকিছু হারিয়ে শেখ হাসিনা বাঙালি জাতিকে পথ দেখানোর জন্য দিনরাত কাজ করছেন, কিন্তু এ জাতি যেন পথ দেখতে চায় না, এ জাতি যেন অন্ধ হয়ে গেছে।</p>
<p>The post <a href="https://mzamin.news/2021/08/08/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/21639/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%96-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%be/.html">একজন শেখ হাসিনা এবং আমরা</a> appeared first on <a href="https://mzamin.news">Mzamin</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://mzamin.news/2021/08/08/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/21639/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9c%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%96-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a6%be/.html/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মোবাইল ফোনে ধ্বংস হচ্ছে শিশুদের জীবন</title>
		<link>https://mzamin.news/2020/09/03/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/11700/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ab%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%82%e0%a6%b8-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%b6/.html</link>
					<comments>https://mzamin.news/2020/09/03/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/11700/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ab%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%82%e0%a6%b8-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%b6/.html#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মুক্তজমিন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 03 Sep 2020 05:27:36 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অনলাইন]]></category>
		<category><![CDATA[মত-মতান্তর]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://mzamin.news/?p=11700</guid>

					<description><![CDATA[<p>মুক্তজমিন ডেস্ক খেলার জন্য আপনার আদরের সোনা মনির হাতে স্মার্ট ফোনটি তোলে দিচ্ছেন না তো? যদি একবার দিয়ে অভ্যাস করে ফেলেন তা হলে জেনে রাখুন নিজ হাতে আপনার সন্তানের জীবন ধ্বংস করেছেন আপনি। &#160; &#160; আর সাময়িক আনন্দের জন্য এই ভয়াবহ কাজটি বেশি ভাগ করে থাকেন মায়েরা। আর ছেলের বিপদ ডেকে পরে সামলাতে না পেরে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://mzamin.news/2020/09/03/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/11700/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ab%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%82%e0%a6%b8-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%b6/.html">মোবাইল ফোনে ধ্বংস হচ্ছে শিশুদের জীবন</a> appeared first on <a href="https://mzamin.news">Mzamin</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>মুক্তজমিন ডেস্ক</strong></p>
<p>খেলার জন্য আপনার আদরের সোনা মনির হাতে স্মার্ট ফোনটি তোলে দিচ্ছেন না তো? যদি একবার দিয়ে অভ্যাস করে ফেলেন তা হলে জেনে রাখুন নিজ হাতে আপনার সন্তানের জীবন ধ্বংস করেছেন আপনি।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আর সাময়িক আনন্দের জন্য এই ভয়াবহ কাজটি বেশি ভাগ করে থাকেন মায়েরা। আর ছেলের বিপদ ডেকে পরে সামলাতে না পেরে কান্নাও করেন বেশি সেই মায়েরা।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আমার ছেলে মিরাজ পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। মোবাইল ছাড়া এক বেলাও ভাত খেতে পারে না। মেয়ে মালিহা নার্সারিতে পড়ে। তারও একই অবস্থা। আরেক ছেলে মাহাথির ২ বছরের কাছাকাছি বয়স। সেও গজল না শুনলে কোনো খাওয়াই মুখে তোলে না।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আমি শুধু আমার ঘরেরটা দেখি বলে বললাম। এমন ঘটনা এখন ঘরে ঘরে চলছে। তারপর ধরুন ১০ থেকে ১২/১৩ বছরের ছেলে মেয়েরা প্রচণ্ডভাবে মোবাইলে আসক্ত হয়ে পড়ছে। বিভিন্ন গেইম আর ইউটিউবে ওল্টা পাল্টা ভিডিও দেখে দেখে লেখাপড়া বাদ দিয়ে সারাদিন মোবাইল নিয়েই পড়ে থাকে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>সমাজের কোমলমতি ছেলেমেয়েদের এমন ধ্বংসের জন্য দায়ী কিছু মা-বাবা। তারা অল্প বয়সে ছেলে মেয়েদের হাতে মোবাইল তুলে দিয়ে বিপদ ডেকে আনছেন নিজে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আমাদের মা-বাবাদের এখন থেকে সাবধান হতে না পারলে সামনের দিনগুলো আরো কঠিন হয়ে দেখা দেবে। আপনার সন্তানের বয়স ১৫/১৬ বছর হয়ে গেলে আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আমার মামার এক ছেলে এক মেয়ে। সারা জীবন সৌদি আরবে কাটিয়েছেন ছেলেমেয়েদের ভালো রাখার জন্য। এক ছেলে হওয়ায় ভালো পড়াশোনা করার জন্য গ্রাম থেকে ঢাকা চলে আসেন। মতিঝিল একটি ভালো স্কুল থেকে এসএসসিতে ভালো রেজাল্টও করে। সমস্যা শুরু হয় কলেজ ভর্তির পর। সারা দিন মোবাইল আর মোবাইল। মোবাইল ছাড়া কিছুই বোঝে না। মামা আমাকে অনেকবার ফোন করেছেন সৌদি আরব থেকে তার ছেলেকে বোঝানোর জন্য। আমি মোবাইলে কল দিলে কখনো সে ধরে না। তাই আমি আর গুরুত্ব দিইনি। মামার আবারও আকুতি আমি যেন বাসায় গিয়ে বুঝিয়ে আসি। অফিসের ব্যস্ততা ও বাসা দূরে হওয়ায় আমার আর যাওয়া হলো না।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>মামা বললেন, সারাদিন মোবাইল নিয়ে ঘুরে বলে রাগ করে তার বইখাতা বস্তায় ভরে রেখে দিল। তবুও সে ১ মাসে তার বইগুলো বস্তা থেকে বের করেনি। ওই মামা গত কোরবানির ঈদের এক দিন আগে সৌদিতেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>যে ছেলের সুখের জন্য জীবনের শেষ দিনগুলো বিদেশে কাটিয়েছেন ওই সন্তান হয়তো এখন বুঝবে বাবা কী ছিল। সন্তানের এমন অধঃপতন মামা সহ্য করতে পারতেন না বলে শুধু কান্না করতেন। সমাজে এমন উদাহরণ অনেক অনেক আছে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>তাই আসুন আমরা এখন থেকে সচেতন হই। নইলে আপনার আমার সন্তানের জন্যও মামার মতো সারা জীবন কাঁদতে হবে।</p>
<p>The post <a href="https://mzamin.news/2020/09/03/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/11700/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ab%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%82%e0%a6%b8-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%b6/.html">মোবাইল ফোনে ধ্বংস হচ্ছে শিশুদের জীবন</a> appeared first on <a href="https://mzamin.news">Mzamin</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://mzamin.news/2020/09/03/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/11700/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ab%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%82%e0%a6%b8-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%b6/.html/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ডিজিটাল যুগের নির্বাচনী প্রচারণায় অ্যানালগ পদ্ধতি কেন?</title>
		<link>https://mzamin.news/2020/01/26/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/1518/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%80/.html</link>
					<comments>https://mzamin.news/2020/01/26/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/1518/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%80/.html#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মুক্তজমিন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 26 Jan 2020 05:28:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অনলাইন]]></category>
		<category><![CDATA[মত-মতান্তর]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://mzamin.news/?p=1518</guid>

					<description><![CDATA[<p>মতামত সিভিক সেন্স বা নাগরিক বোধ বা অনুভূতি বলতে আমরা যা বুঝি, তার বিন্দুমাত্র কি আমাদের মধ্যে দেখতে পাই? সারাক্ষণই তো প্রশ্ন করি অমুকে এখানে ময়লা ফেলছে কেন, তমুকে কেন ওখানে পানের পিক ফেলছে, নগরের ভেতরে পাবলিক টয়লেট থাকলেও তা লোকজন কেন ব্যবহার না করে যেখানে সেখানে প্রস্রাব-পায়খানা করছে, হাসপাতাল, স্কুল-কলেজের সামনে গাড়ির হর্ন কেন [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://mzamin.news/2020/01/26/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/1518/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%80/.html">ডিজিটাল যুগের নির্বাচনী প্রচারণায় অ্যানালগ পদ্ধতি কেন?</a> appeared first on <a href="https://mzamin.news">Mzamin</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মতামত</p>
<p>সিভিক সেন্স বা নাগরিক বোধ বা অনুভূতি বলতে আমরা যা বুঝি, তার বিন্দুমাত্র কি আমাদের মধ্যে দেখতে পাই? সারাক্ষণই তো প্রশ্ন করি অমুকে এখানে ময়লা ফেলছে কেন, তমুকে কেন ওখানে পানের পিক ফেলছে, নগরের ভেতরে পাবলিক টয়লেট থাকলেও তা লোকজন কেন ব্যবহার না করে যেখানে সেখানে প্রস্রাব-পায়খানা করছে, হাসপাতাল, স্কুল-কলেজের সামনে গাড়ির হর্ন কেন বিকট শব্দে বাজানো হচ্ছে- ইত্যাদি হাজারটা প্রশ্ন আমরা একে অপরকে দায়ী করতে পারবো। কিন্তু কখনো কি নিজের ভুলটা লক্ষ্য করেছি। বেখেয়ালী হয়ে নিজেই হয়তো যত্রতত্র থুতু ফেলছি, গৃহস্থালীর ময়লা-আবর্জনা ফেলছি। তাই আসুন না একটু পরখ করি নিজেদের। একটু সযতনে নাগরিক অনুভূতিকে জাগ্রত করি। কারণ নগরটা তো আমাদেরই।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>সাম্প্রতিক বিষয়েই নজর দেই। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাচ্ছে দেশের পাবলিক পরীক্ষার অন্যতম একটি পরীক্ষা- এসএসসি। যাতে সারাদেশের লাখো লাখো শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। তাদের পড়ালেখা যাতে নির্বিঘ্ন হয়, সেটা দেখার দায়িত্ব তো আমাদের সবারই। কিন্তু এবার কি তা হচ্ছে? বলতে পারেন, এত পরিবার দেখবে। তা তো দেখবেই। কিন্তু আপনি আমি কি তাকে পড়ায় মনোনিবেশের মতো শান্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারছি?</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>‘দেশ ডিজিটাল হলেও নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহার হচ্ছে সেই পুরোনো পদ্ধতি। কাগজের পোস্টারে সয়লাব গোটা শহর। তা-ও আবার পলিথিনে মোড়া। যা আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নগরীর জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ দূষণের মারাত্মক কারণ হয়ে উঠবে নিঃসন্দেহে।’</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>এমনিতেই ঘনবসতিপূর্ণ শহর হওয়ায় চারপাশে যাপিত জীবনের নানা খুটখাট, টুংটাং শব্দ হচ্ছেই। তার উপর নির্বাচনী মাস হওয়ায় দিন-রাত চারপাশে বিকট শব্দে নানা সুরে, কথামালায় গান বাজছে। হচ্ছে স্লোগান, চলছে মাইকিং। নির্বাচনী উত্তাপে উত্তেজিত চারপাশ। যারা এই কাজগুলো করছেন, তারা কি একটিবারও ভাবছেন এই ঢাকা দুই সিটির লাখ লাখ এসএসসি পরীক্ষার্থীর কথা? হয়তো বলবেন, এটা তো সারা বছর হয় না, এবার নির্বাচনের মৌসুমে পড়ে গেল আরকি। আরে ভাই, দু&#8217;টো বিষয়ই জরুরি। তাই বলে প্রাধান্য কোনটি, সে বিবেচনায় কি এবার নির্বাচনী প্রচারণায় একটু ভিন্নতা আনা যেতো না?</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>আর আমরা যেখানে ডিজিটাল বাংলাদেশের সাথে এগিয়ে যাচ্ছি, সেখানে ডিজিটাল প্রচারণা হলে সমস্যাটা কোথায়? দিন দুয়েক আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে আসার পথে দেখলাম এবং শুনলাম-নির্বাচনী প্রচারণা। পোস্টারে চেয়ে গেছে সেখানকার চারপাশও।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>অবাক হলাম, হাসপাতালে যেখানে জীবন-মরণ সমস্যা নিয়ে নানা ধরনের রোগী থাকেন, সেখানেও উচ্চস্বরে নির্বাচনী মাইকিং কি জরুরি? যদিও নির্বাচন কমিশন মাইকিং, উচ্চ শব্দে প্রচারাভিযানের কিছু সময়-সূচি বেঁধে দিয়েছে। কিন্তু অবস্থা দৃষ্টে মনে হয়, কেউ শোনারও নেই, নেই দেখার বা বলারও। উচ্চ শব্দের বাড়াবাড়ি অবশ্য থেমে যাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। কিন্তু নগরীতে রেখে যাওয়া মারাত্মক শব্দ দূষণের ক্ষতচিহ্ন কি মুছবে সহজে?</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>দেশ ডিজিটাল হলেও নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহার হচ্ছে সেই পুরোনো পদ্ধতি। কাগজের পোস্টারে সয়লাব গোটা শহর। তা-ও আবার পলিথিনে মোড়া। যা আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নগরীর জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ দূষণের মারাত্মক কারণ হয়ে উঠবে নিঃসন্দেহে। ঢাকার অলিগলি থেকে প্রধান সড়ক নির্বাচনী পোস্টারে সয়লাব। সিটি করপোরেশন ঘিরে কত লাখ কিংবা কত কোটি পোস্টার ঝুলছে, তার হিসাব করা কঠিন। তবে সহজেই অনুমেয় যে, অগোছাল এই শহটারটাকে শব্দ আর পরিবেশ দূষণে আরও কতটা বিপর্যস্ত করে রেখে যাচ্ছে মাত্র দিন কুড়ির নির্বাচনী পুরোনো এই প্রচার পদ্ধতি।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>এখন সময় এসেছে এই ব্যবস্থাকে বদলে ফেলার। সময় এসেছে, শব্দ আর পরিবেশ দূষণের মতো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এড়িয়ে নির্বাচনী প্রচার ব্যবস্থাকে কীভাবে ডিজিটাল করা যায় সে বিষয়ে ভাবারও। কারণ নগরটা আমাদের। তাই একে বাসযোগ্য রাখতে ছোট্ট ছোট্ট খুঁতগুলোও দূরে ঠেলতে নাগরিক অনুভূতি জাগাতে হবে নিখুঁতভাবে।</p>
<p>The post <a href="https://mzamin.news/2020/01/26/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/1518/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%80/.html">ডিজিটাল যুগের নির্বাচনী প্রচারণায় অ্যানালগ পদ্ধতি কেন?</a> appeared first on <a href="https://mzamin.news">Mzamin</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://mzamin.news/2020/01/26/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/1518/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%80/.html/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ধর্ষণ চলছেই…</title>
		<link>https://mzamin.news/2020/01/13/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/585/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a3-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%87/.html</link>
					<comments>https://mzamin.news/2020/01/13/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/585/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a3-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%87/.html#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[মুক্তজমিন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 13 Jan 2020 05:29:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অনলাইন]]></category>
		<category><![CDATA[মত-মতান্তর]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://mzamin.news/?p=585</guid>

					<description><![CDATA[<p>মুক্তজমিন ডেস্ক ধর্ষণ থামেনি। যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীর কথা বলি, শারীরিক নিপীড়নের পর এখন তাকে মানসিক নিপীড়নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে প্রতি মুহূর্তে। নির্যাতনকারীকে সনাক্ত করতে তদন্তের সনাতন প্রক্রিয়াতো এখনও এড়ানো যায়নি। এই প্রক্রিয়া না হয় সইতে হলো দোষীকে ধরতে। কিন্তু এর বাইরে অসংখ্য পক্ষ অপেক্ষায় থাকে মেয়েটিকে নিপীড়ন করার জন্য। দৃশ্যত এই প্রক্রিয়াগুলোকে নিপীড়ন ভাবি [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://mzamin.news/2020/01/13/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/585/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a3-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%87/.html">ধর্ষণ চলছেই…</a> appeared first on <a href="https://mzamin.news">Mzamin</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মুক্তজমিন ডেস্ক</p>
<p>ধর্ষণ থামেনি। যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীর কথা বলি, শারীরিক নিপীড়নের পর এখন তাকে মানসিক নিপীড়নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে প্রতি মুহূর্তে। নির্যাতনকারীকে সনাক্ত করতে তদন্তের সনাতন প্রক্রিয়াতো এখনও এড়ানো যায়নি। এই প্রক্রিয়া না হয় সইতে হলো দোষীকে ধরতে। কিন্তু এর বাইরে অসংখ্য পক্ষ অপেক্ষায় থাকে মেয়েটিকে নিপীড়ন করার জন্য। দৃশ্যত এই প্রক্রিয়াগুলোকে নিপীড়ন ভাবি না হয়তো আমরা। কারণ ওই প্রক্রিয়ায় আমরা নিজেরাই ব্যাপক, উৎসাহ উদ্দীপণার মধ্য দিয়ে যোগ দেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েটির নাম পরিচয়ের ইশারাও যখন দিচ্ছিলো না গণমাধ্যম, তখন দেখা গেলো কেউ কেউ স্বপ্রণোদিত হয়ে মেয়েটির পরিচয়ের ইঙ্গিত দিয়ে দিচ্ছেন দৃশ্যমাধ্যমে। নিপীড়নের রাতে যখন হাসপাতালে এসে পৌঁছায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী, তখন তাৎক্ষণিক ভাবে একজন শিক্ষক ও স্বজনের কাছে ঘটনার বর্ণনা দেয়। সেই সময় মেয়েটি শুধু নিশ্চিত করেছিল, তাকে নির্যাতনকারী ছিল একজন। একজন ‘দাম্ভিক’ ছিল এমন কথা মেয়েটি বলেনি। বরং বলেছিল লোকটি ফুটপাতে ধরার পর মুহূর্তেই ও জ্ঞান হারিয়েছিল। আমরা পরে দেখতে পারি, মেয়েটির বরাত দিয়ে বলা হচ্ছে নির্যাতনকারী ‘দাম্ভিক’ ছিল। এই ‘দাম্ভিকতা’ বিষয়টি পরবর্তীতে ‘মজনু’ নামের অভিযুক্ত আটকের পর বিভ্রান্তি তৈরি করে। কারণ সাধারণের মনে ‘দাম্ভিক’ এর যে রূপচিত্র তৈরি হয়েছিল, তা মজনু’র মধ্যে দেখতে না পেয়ে সাধারণের মধ্যে অবিশ্বাস তৈরি হয়। আমরা এখনও জানি না শেষ পর্যন্ত আদালতে কে দোষী প্রমাণিত হবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত কখনোই চূড়ান্ত নয়। তারা নতুন কোনও সূত্র বা তথ্য যে কোনও সময় পেয়ে তদন্তের মোড় ঘুরিয়ে ফেলতে পারেন।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>সুতরাং মজনু আসল না নকল অপরাধী তা প্রমাণ হোক তদন্ত এবং আদালতে। কিন্তু মেয়েটিকে তো ফিরে যেতে হবে পাঁচ জানুয়ারি রাত সাতটার আগের জীবনে। এজন্য তার দিকে রশ্মি দিয়ে সমাজকে দেখিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই, এই মেয়েটি সেই। মেয়েটি কোন বিভাগে, কোন অনুষদে পড়ে সেই বিষয়ে আমরা অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে পড়বো, যখন তার শিক্ষকরা বা বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হবে ও এখন পরীক্ষা দেওয়ার জন্য মানসিকভাবে তৈরি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালেয় হাজার হাজার বিভাগ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেয়েটি হোক না একজন শিক্ষার্থী মাত্র। কিন্তু শিক্ষার্থীর অভিভাবকত্ব গ্রহণ করতে গিয়ে আমরা দেখছি, শিক্ষকরা মোটামুটি বুঝিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন মেয়েটি কোন বিভাগ বা অনুষদের। এটি মেয়েটির জন্য এক প্রকার পীড়নই বলতে হবে। কারণ ওই অনুষদের সকলের চোখ এখন ওকে খুঁজতে শুরু করেছে। অন্য অনুষদের চোখ মেয়েটির অনুষদের দিকে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>মেয়েটিকে এমন কিছু বুঝতে দেওয়া ঠিক হবে না, তার জীবন এতটাই লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে যে স্বাভাবিক শিক্ষা জীবনে ফিরতে বিশেষ অভিভাবকত্বের প্রয়োজন। দরকার নেই বিশেষ অভিভাবকত্বের। পাঁচ জানুয়ারির সকালের মতই ফিরুক না বিশ্ববিদ্যালয়ে। আমরা যতক্ষণ ওর দিকে নজর দিয়ে রাখবো, ততোক্ষণ পীড়ন চলতে থাকবে। তাই পরীক্ষা দেওয়ার জন্য, ক্লাস করার জন্য বিশেষ কক্ষের দরকার নেই। থাকার জন্য বিশেষ ঘর বা বাড়ির দরকার নেই। দুর্ঘটনার আগে যেখানে যেমন থাকতো, তেমন ভাবেই জীবন যাপন করতে দিলেই ওর ওই বিভীষিকাময় রাত ফুরাবে। না হলে ওই রাত দীর্ঘ হতেই থাকবে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>যারা হাসপাতাল এবং অন্যত্র এ কয়দিন মেয়েটিকে ঘিরে ছিলেন, তারা ঘটনার দিনের বর্ণনা এবং মেয়েটির সম্পর্কে গণমাধ্যম বা লেখা, বিবৃতিতে বলার সময় সংযত থাকুন। এই ইস্যুকে ব্যবহার করে নিজের বা নিজেদের অবস্থান বদল বা দৃঢ় করার চেষ্টা না করাই ভালো। কারণ সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে, সাধারণ মানুষের কাছে আমাদের সকলের আমলনামা আছে। আমরা শুধু তা ভুলে থাকি।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>পাঁচ জানুয়ারি রাত সাতটার আগে বা পরে ধর্ষণ কিন্তু থামেনি। প্রেমিক বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বন্ধুর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করছে। ভাড়াটে ধর্ষণের শিকার হচ্ছে বাড়ির মালিকের দ্বারা। ধর্ষণ থেকে রেহাই পাচ্ছে না ৪,৫ বছরের শিশুও। ধর্ষক ধরা পড়ছে না এমন নয়। শাস্তিও হচ্ছে। কোনটা দ্রুত, কোনটার গতি ধীর। কিন্তু এভাবে কি ধর্ষণ বন্ধ করা যাবে, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিই কি ধর্ষণ বন্ধ করবে? ধর্ষণ বন্ধ করার জন্য দরকার পরিবারের দৃষ্টিভঙ্গীর বদল। আমরা আমাদের পুত্র সন্তানকে কী শিক্ষা দিচ্ছি, নারীর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার চোখ তৈরি করার। নিজেদের চোখটাই কি ঠিক হলো? বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে হাসপাতাল থেকে কোথায় নেওয়া হবে? এই সিদ্ধান্ত নিতে গিয়েও দেখলাম, আমাদের ছেলে সন্তানদের ওপর ভরসা রাখার মতো পরিবার আমরা তৈরি করতে পারিনি। আর মানসিক নিপীড়ন? মেয়েটিকে ছাড়িয়ে মা পর্যন্ত গড়িয়েছে বলেই, সাহস জোগানো মায়ের কণ্ঠেও মেয়েটিকে শুনতে হয়– ওতো রাতে একা এতোদূর যাওয়া ঠিক হয়নি।</p>
<p>The post <a href="https://mzamin.news/2020/01/13/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/585/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a3-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%87/.html">ধর্ষণ চলছেই…</a> appeared first on <a href="https://mzamin.news">Mzamin</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://mzamin.news/2020/01/13/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8/585/%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a3-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%9b%e0%a7%87%e0%a6%87/.html/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
